ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন যশোরে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • ৩০২ Time View

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, যা দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

শনিবার যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বুরুলি খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে খাদ্য সংকট ও কৃষকের দুরবস্থা ছিল প্রকট। খাল খনন ও পল্লী বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় এখন একই জমিতে বছরে দুই থেকে তিনবার ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার বিভিন্ন নদী ও খাল পুনঃখননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৮১ কিলোমিটার এলাকার খাল পুনঃখনন এবং ২১টি খালের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য রেগুলেটার ও কপাট সচল করা হচ্ছে।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে নয় কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফর, জাপানের কড়া প্রতিক্রিয়া

খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন যশোরে

আপলোড সময় : ১০:১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচির সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে, যা দেশের কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

শনিবার যশোরের কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা ইউনিয়নের বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে বুরুলি খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশে খাদ্য সংকট ও কৃষকের দুরবস্থা ছিল প্রকট। খাল খনন ও পল্লী বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে সেচব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় এখন একই জমিতে বছরে দুই থেকে তিনবার ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ভবদহ অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার বিভিন্ন নদী ও খাল পুনঃখননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ৮১ কিলোমিটার এলাকার খাল পুনঃখনন এবং ২১টি খালের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের জন্য রেগুলেটার ও কপাট সচল করা হচ্ছে।

যশোর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য রাখেন।

উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে নয় কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন