ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বের শুভেচ্ছা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ২০৪ Time View

প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা মহানগর উত্তর — প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলকে সুসংগঠিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি দেশের মানুষের কাছে যথাযথভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে, গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মতো সভা আহ্বান করেছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড। আগামীকাল সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ঢাকায় বোর্ডের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রাইসা আফরোজ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩৯ ধারা অনুযায়ী গার্মেন্টস শিল্পে নিযুক্ত সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য বোর্ডের দ্বিতীয় সভা আহ্বান করা হয়েছে।

সভাটি চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে। সভার স্থান ঢাকার ৪০, সেগুনবাগিচায় শাহ পোরশিয়া ভবনের ১৪তম তলায় বোর্ডের সভাকক্ষে। বোর্ডের সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় আলোচ্যসূচিতে দুটি বিষয় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের পৃথকভাবে মজুরি হারের লিখিত প্রস্তাব দাখিল এবং এ খাতের সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা।

সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের লিখিত প্রস্তাব পর্যালোচনার মাধ্যমে গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে, সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হিসাবের ক্ষেত্রে গুরুতর গরমিল ও তথ্যের অসংগতি শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বক্তারা অভিযোগ করেছেন, অতীতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার হাতিয়ার হিসেবে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়েছিল। বিগত দিনের তথ্য বিকৃতি ও অসংগতি দূর করতে সরকার তিনটি মৌলিক সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এবারের পরিসংখ্যান দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য পরিসংখ্যান টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনার ভিত্তি’।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভায় বলেন, ‘কোনো সরকার যদি তথ্য নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজিতে যায়, তবে তা নিজের সঙ্গেই প্রতারণা করার এবং নিজেকে নিজে বোকা বানানোর শামিল।’ তিনি তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘একটি সরকারের ব্যালান্স শিটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে তথ্য।’

মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতের ভুলভ্রান্তি খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্য পূর্ববর্তী সরকারের দোষ-ত্রুটি খোঁজা নয়। বরং সমস্যার গভীরে না পৌঁছালে তার সঠিক সমাধান সম্ভব নয়। এ কারণেই এই পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, তথ্যের অসংগতি ও মাঠপর্যায়ে পরিসংখ্যান সংগ্রহের অনিয়ম দূর করতে সরকার তিনটি মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন করছে। প্রথমত, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জিও-ট্র্যাকিং: সামষ্টিক অর্থনীতি ও জিডিপির হিসাব আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে নিরূপণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, তথ্য যত বেশি উন্মুক্ত রাখা হবে, জনগণের মতামত ও প্রতিক্রিয়া তত বেশি পাওয়া যাবে এবং ভুল সংশোধন সহজ হবে। তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সংসদ চত্বর ধূমপানমুক্ত ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্বের শুভেচ্ছা

আপলোড সময় : ০৮:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা মহানগর উত্তর — প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নবগঠিত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন এবং সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী নতুন নেতৃত্বকে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার এবং দলকে সুসংগঠিত করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি দেশের মানুষের কাছে যথাযথভাবে সেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে, গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে দ্বিতীয়বারের মতো সভা আহ্বান করেছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড। আগামীকাল সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ঢাকায় বোর্ডের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রাইসা আফরোজ স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩৯ ধারা অনুযায়ী গার্মেন্টস শিল্পে নিযুক্ত সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়নের জন্য বোর্ডের দ্বিতীয় সভা আহ্বান করা হয়েছে।

সভাটি চেয়ারম্যান ও জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আজাদ সুবহানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে। সভার স্থান ঢাকার ৪০, সেগুনবাগিচায় শাহ পোরশিয়া ভবনের ১৪তম তলায় বোর্ডের সভাকক্ষে। বোর্ডের সদস্যদের যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় আলোচ্যসূচিতে দুটি বিষয় রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের পৃথকভাবে মজুরি হারের লিখিত প্রস্তাব দাখিল এবং এ খাতের সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা।

সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের লিখিত প্রস্তাব পর্যালোচনার মাধ্যমে গার্মেন্টস খাতের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ নিয়ে আলোচনা হবে।

অন্যদিকে, সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হিসাবের ক্ষেত্রে গুরুতর গরমিল ও তথ্যের অসংগতি শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের যৌথ গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

বক্তারা অভিযোগ করেছেন, অতীতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার হাতিয়ার হিসেবে পরিসংখ্যান ব্যবহার করা হয়েছিল। বিগত দিনের তথ্য বিকৃতি ও অসংগতি দূর করতে সরকার তিনটি মৌলিক সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

রোববার (৮ নভেম্বর) জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এবারের পরিসংখ্যান দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য পরিসংখ্যান টেকসই উন্নয়ন ও পরিকল্পনার ভিত্তি’।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সভায় বলেন, ‘কোনো সরকার যদি তথ্য নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজিতে যায়, তবে তা নিজের সঙ্গেই প্রতারণা করার এবং নিজেকে নিজে বোকা বানানোর শামিল।’ তিনি তথ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘একটি সরকারের ব্যালান্স শিটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হচ্ছে তথ্য।’

মন্ত্রী আরও বলেন, অতীতের ভুলভ্রান্তি খতিয়ে দেখার উদ্দেশ্য পূর্ববর্তী সরকারের দোষ-ত্রুটি খোঁজা নয়। বরং সমস্যার গভীরে না পৌঁছালে তার সঠিক সমাধান সম্ভব নয়। এ কারণেই এই পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সভায় জানানো হয়, তথ্যের অসংগতি ও মাঠপর্যায়ে পরিসংখ্যান সংগ্রহের অনিয়ম দূর করতে সরকার তিনটি মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন করছে। প্রথমত, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও জিও-ট্র্যাকিং: সামষ্টিক অর্থনীতি ও জিডিপির হিসাব আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে নিরূপণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, তথ্য যত বেশি উন্মুক্ত রাখা হবে, জনগণের মতামত ও প্রতিক্রিয়া তত বেশি পাওয়া যাবে এবং ভুল সংশোধন সহজ হবে। তথ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি না হয়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন