এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জালিয়াতি প্রতিরোধে — এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জালিয়াতি প্রতিরোধ, কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়নে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির কক্সবাজার শাখার উদ্যোগে এবং এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের সমন্বয়ে “এজেন্ট আউটলেটগুলোতে জালিয়াতি ও প্রতারণা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের প্রধান মোঃ ইকবাল মহসীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক(এফআইডি) মো. আলী হোসেন ও এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনপ্রধান আবুল লাইস মোহাম্মদ খালেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জোনপ্রধান আব্দুল নাসের। স্বাগত বক্তব্য দেন কক্সবাজার শাখাপ্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন খান।
কর্মশালায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নীতিমালা, দায়িত্ব ও কর্তব্য, কমপ্লায়েন্স, জালিয়াতি শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নীতিমালা অনুসরণ, সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা সহজেই ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করতে পারছেন। তবে, এর সাথে সাথে জালিয়াতির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকিং খাতের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং জালিয়াতি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাংকের নীতি ও নির্দেশনাগুলি অনুসরণ করা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করা হয়।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী এজেন্টরা তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং জালিয়াতি প্রতিরোধে নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা ভবিষ্যতে আরও বেশি কার্যকরী হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সেবা সম্প্রসারণের সাথে সাথে এর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংকিং খাতে জালিয়াতি প্রতিরোধে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র এই উদ্যোগ দেশের ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়ন ও গ্রাহকের আস্থা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 























