সাজেক সংকট সমাধানে সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে চলমান অবরোধ কর্মসূচি আরও জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। তারা পাঁচ দফা দাবি আদায়ের জন্য ১০১ সদস্যের ‘সাজেক পর্যটন সড়ক অবরোধ বাস্তবায়ন গণকমিটি’ গঠন করেছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে চলমান চতুর্থ দফার অবরোধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়।
সভায় গত ৫ নভেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংকট সমাধানে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না আসায় আন্দোলনকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা অভিযোগ করেন, সংকট নিরসনে সরকারের আন্তরিকতা নেই। আন্দোলন আরও কঠোর করার অঙ্গীকার করেন কমিটি ও অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।
সভায় বাবুধন চাকমাকে আহ্বায়ক এবং বিজয় কান্তি চাকমাকে সদস্যসচিব করে নতুন গণকমিটি গঠন করা হয়। তারা জানান, জেএসএস সন্তু গ্রুপের সদস্যদের সাজেক থেকে প্রত্যাহারসহ গত ২৬ অক্টোবর উজোবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থাপন করা পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, সাজেকের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সশস্ত্র সদস্যদের প্রত্যাহারসহ পাঁচ দফা দাবিতে কয়েক দফা অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সংকটের সমাধান না হওয়ায় নতুন এই গণকমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে এই অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 




















