ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাঘার চরাঞ্চলে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী, বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১৪ Time View

রাজশাহীর বাঘার চকরাজাপুর ইউনিয়নে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার মধ্যে থাকা ১৫টি চরের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। পানি ঢুকে পড়ায় চরাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই।

এ পরিস্থিতিতে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে এই ছুটি কার্যকর হয়েছে, তবে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পদ্মার পানি কিছুটা কমলেও চরবাসীর দুর্ভোগ কমেনি। বিশেষ করে গবাদিপশু নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। বন্যার পানিতে বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পানিবন্দী রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর মামুনুর রহমান জানান, নয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ছয়টিতে শিক্ষার্থীদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা কর্মকর্তারা ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদগঞ্জে বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

রাজশাহীর বাঘার চরাঞ্চলে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী, বিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা

আপলোড সময় : ০৯:৩২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রাজশাহীর বাঘার চকরাজাপুর ইউনিয়নে গত এক সপ্তাহ ধরে পদ্মার মধ্যে থাকা ১৫টি চরের প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দী রয়েছেন। পানি ঢুকে পড়ায় চরাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই।

এ পরিস্থিতিতে ছয়টি সরকারি প্রাথমিক ও দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে অনির্দিষ্টকালের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে এই ছুটি কার্যকর হয়েছে, তবে বিদ্যালয়গুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম চালু থাকবে এবং শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পদ্মার পানি কিছুটা কমলেও চরবাসীর দুর্ভোগ কমেনি। বিশেষ করে গবাদিপশু নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। বন্যার পানিতে বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ তলিয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও পলাশি ফতেপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী পানিবন্দী রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মীর মামুনুর রহমান জানান, নয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ছয়টিতে শিক্ষার্থীদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি তিনটি বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তকী ফয়সাল তালুকদার বলেন, বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে শিক্ষা কর্মকর্তারা ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন