ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের ছুটি নিয়ে প্রশ্ন

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল আলম কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক ওইদিন বিদ্যালয়ে আসেননি। তবে তার অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি। হাজিরা খাতায় রোববারের তারিখে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরও পাওয়া যায়নি।

কিছু সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে জানান, প্রধান শিক্ষক প্রায়ই বিদ্যালয়ে আসেন না এবং দাপ্তরিক কিংবা ব্যক্তিগত কাজে বাইরে থাকেন। তবে তাদের জানানো হয় না কেন তিনি অনুপস্থিত থাকেন।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের ছুটি গ্রহণের জন্য নির্ধারিত নিয়ম রয়েছে। সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীদের ছুটি প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর করলেও প্রধান শিক্ষকের ছুটির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আওতায় পড়ে। বর্তমানে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে কোনো ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, প্রধান শিক্ষক ছুটির ব্যাপারে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। অপরদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নেই।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পঞ্চগড় জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডিজার হোসেন বাদশা বলেন, প্রধান শিক্ষককে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং কর্তৃপক্ষকে জানানো ছাড়া ছুটি কাটানো উচিত নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জ মেডিকেলে মরণোত্তর দেহদান করেছেন লিটন দাশ তালুকদার

কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রধান শিক্ষকের ছুটি নিয়ে প্রশ্ন

আপলোড সময় : ০৭:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল আলম কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগের মুখোমুখি হয়েছেন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, প্রধান শিক্ষক ওইদিন বিদ্যালয়ে আসেননি। তবে তার অনুপস্থিতির কারণ সম্পর্কে তারা কোনো তথ্য দিতে পারেননি। হাজিরা খাতায় রোববারের তারিখে প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষরও পাওয়া যায়নি।

কিছু সহকারী শিক্ষক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে জানান, প্রধান শিক্ষক প্রায়ই বিদ্যালয়ে আসেন না এবং দাপ্তরিক কিংবা ব্যক্তিগত কাজে বাইরে থাকেন। তবে তাদের জানানো হয় না কেন তিনি অনুপস্থিত থাকেন।

এমপিওভুক্ত বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের ছুটি গ্রহণের জন্য নির্ধারিত নিয়ম রয়েছে। সাধারণ শিক্ষক ও কর্মচারীদের ছুটি প্রধান শিক্ষক মঞ্জুর করলেও প্রধান শিক্ষকের ছুটির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আওতায় পড়ে। বর্তমানে সোনাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে কোনো ম্যানেজিং কমিটি না থাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইন্দ্রজীৎ সাহা বলেন, প্রধান শিক্ষক ছুটির ব্যাপারে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। অপরদিকে, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নেই।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) পঞ্চগড় জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডিজার হোসেন বাদশা বলেন, প্রধান শিক্ষককে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং কর্তৃপক্ষকে জানানো ছাড়া ছুটি কাটানো উচিত নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন