ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিবি কার্যালয়ে মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন সারজিস আলম

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৩০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০৩ Time View

চব্বিশের গণ-আন্দোলন চলাকালে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর চালানো মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সারজিস আলম।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সায়েন্সল্যাবের একটি বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়।

সারজিস আলম বলেন, আলাদা রুমে রেখে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে তাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো ভয় দেখিয়ে তাদের মানসিক টর্চার করা হতো।

ডিবি কার্যালয়ের সেই ড্রামার পেছনের কথা প্রকাশ করে তিনি জানান, তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নাহিদ ইসলাম প্রথমে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।

সারজিস আলম আরও বলেন, মাত্র কয়েক লাইনের একটি লেখা পড়িয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে নাটক সাজানো হয়েছিল, সাধারণ জনগণ তা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলেছিল। সবাই বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই এই বিবৃতি আদায় করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মন্ত্রীদের হিসাব করে সত্য কথা বলার আহ্বান মাহমুদুর রহমান মান্নার

ডিবি কার্যালয়ে মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন সারজিস আলম

আপলোড সময় : ১২:৩০:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চব্বিশের গণ-আন্দোলন চলাকালে ডিবি পুলিশ তুলে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের ওপর চালানো মানসিক নির্যাতনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন সারজিস আলম।

সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সায়েন্সল্যাবের একটি বাসা থেকে তাকে এবং হাসনাত আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর তাদের দুজনকে ডিবি কার্যালয়ে আলাদা কক্ষে আটকে রাখা হয়।

সারজিস আলম বলেন, আলাদা রুমে রেখে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে তাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না। এমনকি পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার মতো ভয় দেখিয়ে তাদের মানসিক টর্চার করা হতো।

ডিবি কার্যালয়ের সেই ড্রামার পেছনের কথা প্রকাশ করে তিনি জানান, তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ তাদের হাতে একটি স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দিয়ে তা পড়তে বলেন। পরিস্থিতি বিবেচনা করে নাহিদ ইসলাম প্রথমে সম্মত হন। পরবর্তীতে তাদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও ধারণ করা হয়।

সারজিস আলম আরও বলেন, মাত্র কয়েক লাইনের একটি লেখা পড়িয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহারের যে নাটক সাজানো হয়েছিল, সাধারণ জনগণ তা এক মুহূর্তেই ধরে ফেলেছিল। সবাই বুঝে গিয়েছিল যে অস্ত্রের মুখেই এই বিবৃতি আদায় করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন