ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফর, জাপানের কড়া প্রতিক্রিয়া

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৮ Time View

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রথমবারের মতো বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন। জাপান এই সফরকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, পুতিনের সফর জাপানি জনগণের অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম দ্বীপ ইতুরুপ পরিদর্শন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয় এবং তখন থেকেই রাশিয়া ও জাপান উভয় দেশই এর মালিকানা দাবি করে আসছে। এই ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে মস্কো ও টোকিও আজ পর্যন্ত কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেনি।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানান, পুতিনের সফর রাশিয়ার প্রতি জাপানিদের মনোভাবকে আরও নেতিবাচক করে তুলেছে। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি দ্বীপগুলোকে ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড উল্লেখ করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার জন্য কৌশলগত একটি এলাকা। গত এক দশকে মস্কো এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করেছে এবং ইতুরুপ দ্বীপটিকে প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। সম্প্রতি চীন ও রাশিয়ার যৌথ নৌবাহিনী এই অঞ্চলের প্রণালি দিয়ে টহল পরিচালনা করে এবং রাশিয়া নিয়মিত সামরিক মহড়া চালিয়ে যাওয়ায় টোকিও বরাবরই এর নিন্দা জানিয়ে আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

mostbet və qanunun sərhədləri – cəsarətli baxış

কুরিল দ্বীপপুঞ্জে পুতিনের সফর, জাপানের কড়া প্রতিক্রিয়া

আপলোড সময় : ১২:৫০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রথমবারের মতো বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জ সফর করেছেন। জাপান এই সফরকে ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান, পুতিনের সফর জাপানি জনগণের অনুভূতিতে চরম আঘাত হেনেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুতিন কুরিল দ্বীপপুঞ্জের অন্যতম দ্বীপ ইতুরুপ পরিদর্শন করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষভাগে সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্বীপপুঞ্জটি দখল করে নেয় এবং তখন থেকেই রাশিয়া ও জাপান উভয় দেশই এর মালিকানা দাবি করে আসছে। এই ভূখণ্ডগত বিরোধের কারণে মস্কো ও টোকিও আজ পর্যন্ত কোনো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেনি।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানান, পুতিনের সফর রাশিয়ার প্রতি জাপানিদের মনোভাবকে আরও নেতিবাচক করে তুলেছে। জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগি দ্বীপগুলোকে ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড উল্লেখ করে এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।

কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার জন্য কৌশলগত একটি এলাকা। গত এক দশকে মস্কো এই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে জোরদার করেছে এবং ইতুরুপ দ্বীপটিকে প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। সম্প্রতি চীন ও রাশিয়ার যৌথ নৌবাহিনী এই অঞ্চলের প্রণালি দিয়ে টহল পরিচালনা করে এবং রাশিয়া নিয়মিত সামরিক মহড়া চালিয়ে যাওয়ায় টোকিও বরাবরই এর নিন্দা জানিয়ে আসছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন