ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৫৩ ইউনিয়ন পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • ২০৭ Time View

বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৫৩টি ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়ন অতিউচ্চ, ৪০টি উচ্চ এবং ৬৬টি ইউনিয়ন মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর পর্বটি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫৩টিকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার বিকল্প উৎসের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এফবিআইয়ের তদন্তের মুখে আর্জেন্টিনার ফুটবল সংস্থা

বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৫৩ ইউনিয়ন পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা

আপলোড সময় : ০৯:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৫৩টি ইউনিয়নকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৭টি ইউনিয়ন অতিউচ্চ, ৪০টি উচ্চ এবং ৬৬টি ইউনিয়ন মধ্যম পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এ তথ্য জানান। প্রশ্নোত্তর পর্বটি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও রাজশাহী জেলার ২৫টি উপজেলার ২১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫৩টিকে পানি সংকটাপন্ন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সরকার বিকল্প উৎসের পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এ লক্ষ্যে পানি সংকটাপন্ন এলাকা চিহ্নিতকরণ, অ্যাকুইফার ম্যাপিং এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ, গুণগত মান ও নিরাপদ উত্তোলনসীমা নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন