ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সৃজনশীলতার ছোঁয়া

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:২৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ২০৪ Time View

ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গত ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী। প্রশ্নপত্রের মধ্যে সৃজনশীলতা ও গভীর অনুভূতির প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রশ্নপত্রে 'যে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে, তার পাখিদের কথোপকথন' এবং 'ঈশ্বরকে যদি গুটি কয়েক প্রশ্ন করার সুযোগ পেতেন…' এর মতো প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সুখের কথা, ভয়ের কথা' এবং 'পথের পাঁচালীর দুর্গার সঙ্গে তোমার এক কাল্পনিক ট্রেন সফর' বিষয়ক প্রশ্নগুলোও উল্লেখযোগ্য।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বরেন্দু মণ্ডল জানান, এই প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং মাতৃভাষায় ভাবনার প্রকাশের সক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। তিনি বলেন, "আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাষায় তাদের মনের কথা বলুক।"

প্রশ্নগুলো বিভাগের সকল শিক্ষকের সমন্বয়ে তৈরি করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের লেখার ক্ষমতা ও ভাবনার গভীরতা যাচাইয়ের জন্য নির্বাচিত হয়। ড. মণ্ডল আরও উল্লেখ করেন, "আমরা গভীর অনুভবের প্রকাশটাকেই বুঝতে চাই।"

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে, যারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন, তাদের নম্বরের ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই। বরং, তাদের সৃজনশীলতা ও চিন্তাভাবনার ক্ষমতা যাচাই করাই প্রধান লক্ষ্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাতীরায় নদীর চর দখল করে মৎস্য ঘের, বনায়ন ক্ষতিগ্রস্ত

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সৃজনশীলতার ছোঁয়া

আপলোড সময় : ০২:২৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গত ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন প্রায় ৩৫০ জন শিক্ষার্থী। প্রশ্নপত্রের মধ্যে সৃজনশীলতা ও গভীর অনুভূতির প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

প্রশ্নপত্রে 'যে জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে, তার পাখিদের কথোপকথন' এবং 'ঈশ্বরকে যদি গুটি কয়েক প্রশ্ন করার সুযোগ পেতেন…' এর মতো প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়া 'কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: সুখের কথা, ভয়ের কথা' এবং 'পথের পাঁচালীর দুর্গার সঙ্গে তোমার এক কাল্পনিক ট্রেন সফর' বিষয়ক প্রশ্নগুলোও উল্লেখযোগ্য।

বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বরেন্দু মণ্ডল জানান, এই প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং মাতৃভাষায় ভাবনার প্রকাশের সক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়। তিনি বলেন, "আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভাষায় তাদের মনের কথা বলুক।"

প্রশ্নগুলো বিভাগের সকল শিক্ষকের সমন্বয়ে তৈরি করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের লেখার ক্ষমতা ও ভাবনার গভীরতা যাচাইয়ের জন্য নির্বাচিত হয়। ড. মণ্ডল আরও উল্লেখ করেন, "আমরা গভীর অনুভবের প্রকাশটাকেই বুঝতে চাই।"

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে, যারা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন, তাদের নম্বরের ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিবেচনা করার প্রয়োজন নেই। বরং, তাদের সৃজনশীলতা ও চিন্তাভাবনার ক্ষমতা যাচাই করাই প্রধান লক্ষ্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন