ইরানের সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শেষ বিদায়ের আয়োজন চলছে, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শোকানুষ্ঠান হতে পারে। ৮৬ বছর বয়সে তিনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
খামেনির দাফন ও জানাজার আয়োজন ছয়টি শহরজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে ইরাকের পবিত্র শহর কারবালাও রয়েছে। শিয়া মুসলিমদের কাছে কারবালা ইসলামের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান হিসেবে বিবেচিত।
সূচিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ৪ এপ্রিল তেহরানের নির্মাণাধীন ইমাম খোমেনি মসজিদ কমপ্লেক্সে তার মরদেহ প্রথমে রাখা হবে। এরপর ৫ এপ্রিল রাজধানী তেহরানের প্রধান সড়কগুলোতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ৬ এপ্রিল মরদেহ কোমে, নাজাফ ও কারবালায় শোকযাত্রা চলবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার জন্মস্থান মাশহাদে নেওয়া হবে এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হবে। আয়োজকরা ধারণা করছেন, এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় দেশ-বিদেশ থেকে দুই কোটিরও বেশি মানুষ অংশ নেবেন।
বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতির খবরও পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ থেকে স্পিকার হাফিজউদ্দিন আহমেদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে, এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত।
অনলাইন ডেক্স 





















