ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়া-২ আসনে জামানত হারালেন মাহমুদুর রহমান মান্না

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩৩৭ Time View

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রত্যাশিত সাড়া তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। আলোচিত এই প্রার্থী শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। তিনি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি এবং দলীয় প্রতীক কেটলি নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪২৬।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসনটিতে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। বিধি অনুযায়ী জামানত অক্ষুণ্ন রাখতে হলে একজন প্রার্থীকে মোট বৈধ ভোটের ন্যূনতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করতে হয়। সে হিসেবে মান্নার প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট, যা প্রয়োজনীয় সীমার অনেক নিচে।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছিল, আসনটি মান্নার জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারে বিএনপি। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি নিজস্ব প্রার্থী মীর শাহে আলমকেই মনোনয়ন দেয় এবং জোটগত সমঝোতার পথে যায়নি।

চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান দলগুলোর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং শেষ মুহূর্তে সমঝোতা না হওয়ায় মান্না ভোটের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে পারেননি। ফলাফলেই তার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহত: কিশোরের জামিন নামঞ্জুর

বগুড়া-২ আসনে জামানত হারালেন মাহমুদুর রহমান মান্না

আপলোড সময় : ০২:০৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রত্যাশিত সাড়া তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদুর রহমান মান্না। আলোচিত এই প্রার্থী শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন। তিনি নাগরিক ঐক্যের সভাপতি এবং দলীয় প্রতীক কেটলি নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৩ হাজার ৪২৬।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আসনটিতে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার ৮০২টি। বিধি অনুযায়ী জামানত অক্ষুণ্ন রাখতে হলে একজন প্রার্থীকে মোট বৈধ ভোটের ন্যূনতম ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করতে হয়। সে হিসেবে মান্নার প্রয়োজন ছিল অন্তত ৩০ হাজার ৪৭৬ ভোট। কিন্তু তিনি পেয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট, যা প্রয়োজনীয় সীমার অনেক নিচে।

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ছিল, আসনটি মান্নার জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারে বিএনপি। তবে শেষ পর্যন্ত দলটি নিজস্ব প্রার্থী মীর শাহে আলমকেই মনোনয়ন দেয় এবং জোটগত সমঝোতার পথে যায়নি।

চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান পেয়েছেন ৯৩ হাজার ৫৪৮ ভোট। এ আসনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৭২ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধান দলগুলোর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং শেষ মুহূর্তে সমঝোতা না হওয়ায় মান্না ভোটের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে পারেননি। ফলাফলেই তার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন