ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তানে মানবাধিকারকর্মী দম্পতিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:১০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১৯ Time View

পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী ইমান মাজারি ও তাঁর স্বামী হাদি আলী চাথাকে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাঁদের পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের বিচারক আদিয়ালা কারাগারে এ রায় ঘোষণা করেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে থেকে ওই কারাগারেই বন্দি রয়েছেন এই দম্পতি। সরকারের কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁদের ওপর হামলার পৃথক অভিযোগে আদালত দম্পতিকে আরও এক বছর ও দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তবে এসব সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে।

ইমান মাজারি এবং তাঁর স্বামী চাথার কারাবাসের ঘটনায় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তাঁদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে এবং তাঁদের কারাবন্দি রাখার নিন্দা করেছে। ২০২৪ সালের একটি মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁরা বিক্ষোভের আয়োজন করে একটি সড়ক অবরোধ করেছিলেন।

রয়টার্সের কাছে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাঁরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন এবং বলেন, ‘আমরা বিবেকের কারণে বন্দি।’ মানবাধিকার নিয়ে তাঁদের কাজের কারণেই তাঁদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন।

পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার বারবার বলেছেন, দেশটির বিচার বিভাগ স্বাধীন। ইমানের মা শিরিন মাজারি জানান, তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ আইনি নথিপত্রও সরবরাহ করা হয়নি।

গত ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রবিরোধী পোস্টের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর থেকে ইমান মাজারি ও চাথা কারাগারে রয়েছেন। ইলেকট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাঁদের বিরুদ্ধে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তবে ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ওই সাজা স্থগিত করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সংসদ চত্বর ধূমপানমুক্ত ঘোষণা

পাকিস্তানে মানবাধিকারকর্মী দম্পতিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ১০:১০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাসবিরোধী আদালত বৃহস্পতিবার বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনজীবী ইমান মাজারি ও তাঁর স্বামী হাদি আলী চাথাকে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তাঁদের পরিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের বিচারক আদিয়ালা কারাগারে এ রায় ঘোষণা করেন। চলতি বছরের শুরুর দিকে থেকে ওই কারাগারেই বন্দি রয়েছেন এই দম্পতি। সরকারের কর্মচারীদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তাঁদের ওপর হামলার পৃথক অভিযোগে আদালত দম্পতিকে আরও এক বছর ও দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তবে এসব সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হবে।

ইমান মাজারি এবং তাঁর স্বামী চাথার কারাবাসের ঘটনায় বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তাঁদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে এবং তাঁদের কারাবন্দি রাখার নিন্দা করেছে। ২০২৪ সালের একটি মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের নিরাপত্তা পরিকল্পনা বিপন্ন করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁরা বিক্ষোভের আয়োজন করে একটি সড়ক অবরোধ করেছিলেন।

রয়টার্সের কাছে দেওয়া এক বিবৃতিতে তাঁরা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন এবং বলেন, ‘আমরা বিবেকের কারণে বন্দি।’ মানবাধিকার নিয়ে তাঁদের কাজের কারণেই তাঁদের লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন।

পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার বারবার বলেছেন, দেশটির বিচার বিভাগ স্বাধীন। ইমানের মা শিরিন মাজারি জানান, তাঁদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি এবং গুরুত্বপূর্ণ আইনি নথিপত্রও সরবরাহ করা হয়নি।

গত ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রবিরোধী পোস্টের অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর থেকে ইমান মাজারি ও চাথা কারাগারে রয়েছেন। ইলেকট্রনিক অপরাধ প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাঁদের বিরুদ্ধে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল, তবে ১৭ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ওই সাজা স্থগিত করে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন