রংপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আঞ্চলিক উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে চার বস্তা সরকারি নথি সরানোর চেষ্টা আটক করেছে স্থানীয়রা। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে শিক্ষা অফিসের পেছনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দুপুরে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় চারটি বড় বস্তা তোলা হচ্ছিল। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা অটোরিকশাটি ঘিরে ফেলেন এবং বস্তাগুলো আটক করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা অফিসের কর্মচারী আবু তালেব ও অটোরিকশার চালক মোহাম্মদ জাহিদ। তারা দাবি করেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই বস্তাগুলো সরানো হচ্ছিল।
এ ঘটনায় বিভাগীয় উপপরিচালক কামরুজ্জামান পাইকার ও পরিচালক মাজেদ আলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাটিকে ‘চুরির অপচেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে সরকারি নথি বস্তাবন্দি করে বাইরে নেওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অভিযোগ করেছেন যে, দুর্নীতি বা অডিট আপত্তির তথ্য গোপন করার উদ্দেশ্যে এসব নথি সরানোর চেষ্টা হতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এর আগে, ২৯ সেপ্টেম্বর রংপুর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক কার্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালায়। অভিযানে সাবেক পরিচালক আমীর আলীর দায়িত্বকালীন সময়ে এমপিওভুক্তিতে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
অনলাইন ডেক্স 
























