ঢাকা ০৯:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজার শিশুরা তিন বছর পর স্কুলে ফিরল, শিক্ষার আলোয় নতুন সূচনা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০২ Time View

গাজার শিশুরা শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দীর্ঘ তিন বছর পর সরাসরি স্কুলে ফিরে এসেছে। ভাঙাচোরা ভবন, তাবু ও টিনের ছাপড়ার নিচে বসে তারা শিক্ষার আলোয় ফেরার আনন্দ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯৮ শতাংশ স্কুল ভবন যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিশু স্কুলে যেতে পারেনি।

খান ইউনিসের শিক্ষা পরিচালক ইব্রাহিম রমদান জানান, ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২ হাজার শিক্ষার্থী এবং ৫৩২ জন শিক্ষকসহ ৭৭০ জনের বেশি শিক্ষাকর্মী নিহত হয়েছেন। স্কুলে পাঠদান পুনরায় শুরু হওয়াকে তারা আশার আলোয় ভরা একটি ভঙ্গুর সূচনা হিসেবে দেখছেন।

১৫ বছর বয়সী সমর আবু সালমি জানায়, সে দীর্ঘদিন মোবাইলের পর্দায় পড়াশোনা করেছে এবং এখন শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসতে পেরে আনন্দিত। তবে শিক্ষাসামগ্রীর সংকট ও দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা সমস্যায় পড়েছে।

গাজার শিক্ষা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি শিক্ষাবর্ষে ইউনিসেফের সহায়তায় অন্তত ৫ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অস্থায়ী স্কুলে সরাসরি পাঠদানে অংশ নেবে। যারা স্কুলে উপস্থিত হতে পারছে না, তাদের জন্য অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিনটি ট্রাইব্যুনাল চালু

গাজার শিশুরা তিন বছর পর স্কুলে ফিরল, শিক্ষার আলোয় নতুন সূচনা

আপলোড সময় : ০৮:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজার শিশুরা শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দীর্ঘ তিন বছর পর সরাসরি স্কুলে ফিরে এসেছে। ভাঙাচোরা ভবন, তাবু ও টিনের ছাপড়ার নিচে বসে তারা শিক্ষার আলোয় ফেরার আনন্দ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯৮ শতাংশ স্কুল ভবন যুদ্ধের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষা কর্মকর্তাদের হিসাব অনুযায়ী, সংঘাতের কারণে প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার শিশু স্কুলে যেতে পারেনি।

খান ইউনিসের শিক্ষা পরিচালক ইব্রাহিম রমদান জানান, ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ২২ হাজার শিক্ষার্থী এবং ৫৩২ জন শিক্ষকসহ ৭৭০ জনের বেশি শিক্ষাকর্মী নিহত হয়েছেন। স্কুলে পাঠদান পুনরায় শুরু হওয়াকে তারা আশার আলোয় ভরা একটি ভঙ্গুর সূচনা হিসেবে দেখছেন।

১৫ বছর বয়সী সমর আবু সালমি জানায়, সে দীর্ঘদিন মোবাইলের পর্দায় পড়াশোনা করেছে এবং এখন শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসতে পেরে আনন্দিত। তবে শিক্ষাসামগ্রীর সংকট ও দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা সমস্যায় পড়েছে।

গাজার শিক্ষা কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি শিক্ষাবর্ষে ইউনিসেফের সহায়তায় অন্তত ৫ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অস্থায়ী স্কুলে সরাসরি পাঠদানে অংশ নেবে। যারা স্কুলে উপস্থিত হতে পারছে না, তাদের জন্য অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন