ঢাকা ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ ড্রোন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর নকল, দাবি আইআরজিসির

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২৩ Time View

ইরানের ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের আদলে যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামে একটি ড্রোন তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাভি। তিনি শনিবার খোররামাবাদে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

মজিদ মুসাভি জানান, ইরানের ড্রোন খাতে বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) তৈরি করা হয়েছে। দেশটির কাছে বিভিন্ন ধরনের ‘শাহেদ’ শ্রেণির ড্রোন রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে কিছু যুদ্ধ অভিযানের জন্য এবং অন্যগুলো নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব ড্রোন তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি ও কর্ম-অভিজ্ঞতার ফল। মুসাভির দাবি, ইরানের ড্রোন বহর বর্তমানে দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন সক্ষমতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর অনুরূপ একটি ড্রোন তৈরি করেছে এবং সেটির নাম ‘লুকাস’ রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মুসাভি আরও জানান, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১’-এ ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন ব্যবহারের রেকর্ড রয়েছে এবং ওই অভিযান পরিচালনার জন্য আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে বাসের চাপায় অটোরিকশা দুমড়ে নিহত ৩

যুক্তরাষ্ট্রের ‘লুকাস’ ড্রোন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর নকল, দাবি আইআরজিসির

আপলোড সময় : ০২:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরানের ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের আদলে যুক্তরাষ্ট্র ‘লুকাস’ নামে একটি ড্রোন তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মুসাভি। তিনি শনিবার খোররামাবাদে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

মজিদ মুসাভি জানান, ইরানের ড্রোন খাতে বিভিন্ন ধরনের চালকবিহীন আকাশযান (ইউএভি) তৈরি করা হয়েছে। দেশটির কাছে বিভিন্ন ধরনের ‘শাহেদ’ শ্রেণির ড্রোন রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে কিছু যুদ্ধ অভিযানের জন্য এবং অন্যগুলো নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব ড্রোন তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তি ও কর্ম-অভিজ্ঞতার ফল। মুসাভির দাবি, ইরানের ড্রোন বহর বর্তমানে দেশের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার জন্য একটি শক্তিশালী হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন সক্ষমতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইরানের শাহেদ-১৩৬-এর অনুরূপ একটি ড্রোন তৈরি করেছে এবং সেটির নাম ‘লুকাস’ রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্রভাণ্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

মুসাভি আরও জানান, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-১’-এ ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ড্রোন ব্যবহারের রেকর্ড রয়েছে এবং ওই অভিযান পরিচালনার জন্য আইআরজিসি অ্যারোস্পেস ফোর্সের ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন