ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে বন্যায় ১৬২ জন নিহত, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সহানুভূতি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৩ Time View

নেপালে পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায় ১৬২ জন নিহত হয়েছে। দেশটির রাসুয়া জেলায় ভুটে কোশি নদীর প্রবল স্রোতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, সেতুসহ ব্যাপক অবকাঠামো।

এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগের পর নাগরিকদের ধৈর্য ধরে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তিনি বলেন, উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে সরকার।

দুর্যোগকবলিতদের সাহস দিয়ে বালেন্দ্র শাহ বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে আপনারা একা নন। রাষ্ট্র তার সব সম্পদ নিয়ে আপনাদের পাশে রয়েছে। দয়া করে ধৈর্য ধরুন।’

তিনি জানান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে সরকারের হাতে থাকা সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগানো হচ্ছে। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, জাতীয় কাউন্সিল এবং মন্ত্রিসভা জরুরি বৈঠক করে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা আরো জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করা হয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য বীর হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে ১০০টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সরকার বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত পুনর্র্নিমাণ এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিরপেক্ষতার প্রতিশ্রুতি

নেপালে বন্যায় ১৬২ জন নিহত, প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের সহানুভূতি

আপলোড সময় : ০১:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায় ১৬২ জন নিহত হয়েছে। দেশটির রাসুয়া জেলায় ভুটে কোশি নদীর প্রবল স্রোতে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, সেতুসহ ব্যাপক অবকাঠামো।

এমন পরিস্থিতিতে দুর্যোগের পর নাগরিকদের ধৈর্য ধরে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তিনি বলেন, উদ্ধার, চিকিৎসা, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে সরকার।

দুর্যোগকবলিতদের সাহস দিয়ে বালেন্দ্র শাহ বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে আপনারা একা নন। রাষ্ট্র তার সব সম্পদ নিয়ে আপনাদের পাশে রয়েছে। দয়া করে ধৈর্য ধরুন।’

তিনি জানান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করতে সরকারের হাতে থাকা সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগানো হচ্ছে। জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, জাতীয় কাউন্সিল এবং মন্ত্রিসভা জরুরি বৈঠক করে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতা আরো জোরদারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

উদ্ধার অভিযানে মোতায়েন করা হয়েছে নেপালি সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসার জন্য বীর হাসপাতাল ও ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে ১০০টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সরকার বন্যাকবলিত পরিবারগুলোর জন্য খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত পুনর্র্নিমাণ এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন