ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলা, গ্রাহকরা ভোগান্তিতে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৪ Time View

চট্টগ্রামের কাজির দেউরি এলাকার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) অফিসে কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে গ্রাহকরা বিদ্যুতের চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা লোডশেডিংয়ের মধ্যে অফিসের বিভিন্ন কক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইট চালু রেখে কর্মকর্তারা অফিস ত্যাগ করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, প্রকৌশলীদের একটি কক্ষে দুটি সিলিং ফ্যান চলছিল, কিন্তু সেখানে কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। অফিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা সময়ের আগেই অফিস ছেড়ে চলে গেছেন এবং বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করতে ভুলে গেছেন।

বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা জানান, লোডশেডিংসহ বিভিন্ন কারণে কর্মকর্তাদের দ্রুত অফিস ত্যাগ করতে হয়, ফলে তারা অনেক সময় বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করতে ভুলে যান। এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে তারা উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের অবস্থা ভয়াবহ। বিদ্যুতের অভাবে অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হচ্ছেন না। গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও সময়মতো সেবা পাচ্ছেন না।

বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এই আচরণকে গ্রাহক সেবার প্রতি অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। স্টেডিয়াম বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প ঘোষণা

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের অবহেলা, গ্রাহকরা ভোগান্তিতে

আপলোড সময় : ০৯:০২:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের কাজির দেউরি এলাকার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) অফিসে কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে গ্রাহকরা বিদ্যুতের চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলা লোডশেডিংয়ের মধ্যে অফিসের বিভিন্ন কক্ষে বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইট চালু রেখে কর্মকর্তারা অফিস ত্যাগ করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার অফিসে গিয়ে দেখা গেছে, প্রকৌশলীদের একটি কক্ষে দুটি সিলিং ফ্যান চলছিল, কিন্তু সেখানে কোনো কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। অফিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, কর্মকর্তারা সময়ের আগেই অফিস ছেড়ে চলে গেছেন এবং বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করতে ভুলে গেছেন।

বিদ্যুৎ অফিসের কর্মচারীরা জানান, লোডশেডিংসহ বিভিন্ন কারণে কর্মকর্তাদের দ্রুত অফিস ত্যাগ করতে হয়, ফলে তারা অনেক সময় বৈদ্যুতিক সুইচ বন্ধ করতে ভুলে যান। এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে তারা উল্লেখ করেন।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে চট্টগ্রামে বিদ্যুতের অবস্থা ভয়াবহ। বিদ্যুতের অভাবে অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হচ্ছেন না। গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও সময়মতো সেবা পাচ্ছেন না।

বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তাদের এই আচরণকে গ্রাহক সেবার প্রতি অবহেলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা। স্টেডিয়াম বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি তদন্ত করার আশ্বাস দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন