ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত পলাশের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শোকগ্রস্ত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৭:১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০১ Time View

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হয়েছেন পলাশ দাস (৩৫)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়, যা তার পরিবারে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। পলাশের স্ত্রী ভূমিকা দাস আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা, এবং তাদের সন্তান জন্মের অপেক্ষায় ছিলেন।

পলাশ সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী সুনিঠাকুর জেলেপাড়ার বাসিন্দা এবং তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে ওয়েল্ডার হিসেবে কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় পুরোনো জাহাজ কাটার কাজ চলছিল। পলাশের মৃত্যুর খবর শুনে তার ছোট ভাই শুভ দাস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরে পলাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পলাশের বন্ধু দিলীপ দাস অভিযোগ করেছেন যে, শিপইয়ার্ডে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। তিনি জানান, সেখানে নিরাপত্তার জন্য শুধুমাত্র হেলমেট ও জুতা ছিল, কিন্তু কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, এই বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত কয়েকজন এখনও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মোমবাতি মিছিলের আয়োজন

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত পলাশের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী শোকগ্রস্ত

আপলোড সময় : ০৭:১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হয়েছেন পলাশ দাস (৩৫)। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়, যা তার পরিবারে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে। পলাশের স্ত্রী ভূমিকা দাস আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা, এবং তাদের সন্তান জন্মের অপেক্ষায় ছিলেন।

পলাশ সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী সুনিঠাকুর জেলেপাড়ার বাসিন্দা এবং তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে ওয়েল্ডার হিসেবে কাজ করছিলেন। দুর্ঘটনার সময় পুরোনো জাহাজ কাটার কাজ চলছিল। পলাশের মৃত্যুর খবর শুনে তার ছোট ভাই শুভ দাস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরে পলাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পলাশের বন্ধু দিলীপ দাস অভিযোগ করেছেন যে, শিপইয়ার্ডে শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। তিনি জানান, সেখানে নিরাপত্তার জন্য শুধুমাত্র হেলমেট ও জুতা ছিল, কিন্তু কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, এই বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮ জনে দাঁড়িয়েছে এবং আহত কয়েকজন এখনও বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন