ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় হাতাহাতি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২০১ Time View

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মামুনুর রশিদ শিক্ষার্থীদের একটি ক্লাসরুমে ডেকে এনে সেলুন কর্মী দিয়ে তাদের চুল কাটাতে শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের চুল কাটার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে প্রতিবাদ জানান। এর ফলে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন জানান, ‘আমাদের কয়েকজনকে জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’ অপর শিক্ষার্থী সাকিন হোসেন বলেন, ‘পাশের বাজার থেকে নাপিত ডেকে এনে আমাদের চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির যুক্তি জানান, অভিভাবকদের সাথে একটি মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, এলোমেলো চুল রাখা শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, এটি বিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য করা হয়েছে।

কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান হিরোক বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা কাম্য ছিল না। তবে সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই কাজটি করেছিলেন।’ ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং তদন্তের আশ্বাস দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ১৭০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত

ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় হাতাহাতি

আপলোড সময় : ০৮:০০:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক চুল কাটার ঘটনায় অভিভাবক ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মামুনুর রশিদ শিক্ষার্থীদের একটি ক্লাসরুমে ডেকে এনে সেলুন কর্মী দিয়ে তাদের চুল কাটাতে শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের চুল কাটার খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে এসে প্রতিবাদ জানান। এর ফলে পরিস্থিতি হাতাহাতিতে রূপ নেয়।

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আফিন হোসেন জানান, ‘আমাদের কয়েকজনকে জোরপূর্বক চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’ অপর শিক্ষার্থী সাকিন হোসেন বলেন, ‘পাশের বাজার থেকে নাপিত ডেকে এনে আমাদের চুল কেটে দেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির যুক্তি জানান, অভিভাবকদের সাথে একটি মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে, এলোমেলো চুল রাখা শিক্ষার্থীদের চুল কেটে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, এটি বিদ্যালয়ের উন্নতির জন্য করা হয়েছে।

কিসমত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুজ্জামান হিরোক বলেন, ‘এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, যা কাম্য ছিল না। তবে সভাপতি ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই কাজটি করেছিলেন।’ ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার মো. লুৎফর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং তদন্তের আশ্বাস দেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন