জাসদ ছাত্রলীগ নেতা জামায়াতের আমীর হতে পারে, কিন্তু রাশেদ খাঁন বিএনপি করতে পারবেনা!
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক ( ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুনসহ মূল ধারার নেতাকর্মীদের সাথে আমার অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক। আমি গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ফিল করি। রাজনৈতিক বাস্তবতার কারণে আমি আলোচনা সাপেক্ষে দল থেকে পদত্যাগ করে বিএনপি যোগদান করেছি। এমন না যে, আমি আলোচনা না করেই চলে গিয়েছি। সকলেরই জানা কথা, বিএনপির সাথে গণঅধিকার পরিষদের ২০২২ সাল থেকে যুগপৎ আন্দোলনের সম্পর্ক ও একসাথে নির্বাচনী জোট হয়েছে। নুরুল হক নুর বিএনপি সরকারের প্রতিমন্ত্রী। সুতরাং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সাথে আমার সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ার সুযোগ কোথায়? আমি এমন কোন দলে যোগদান করি নাই যে, যে দলের বিরুদ্ধে আমি অতীতে বিষোদগার করেছি। বরং বিএনপির সাথে গণঅধিকার পরিষদের যথেষ্ট আদর্শিক ও মতাদর্শের মিল রয়েছে। জীবনে যেখানেই থাকি না কেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সাথে আমার পার্থিব ও সমাজিক সম্পর্ক থাকবে। এখনো অনেকের সাথে নিয়মিত দেখাসাক্ষাৎ, আলোচনাও হয়। আমার বন্ধুত্বের সার্কেল বলতে এখনো পর্যন্ত অধিকাংশ এই দলের নেতাকর্মীরাই। কারণ রাজপথ থেকে তাদের সাথে যে রক্তের সম্পর্ক তৈরি করেছে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক বিনষ্টের সুযোগ নেই। কিন্তু টকশো কিংবা আলোচনার টেবিলে যখন কেউ তথ্য বা যুক্তিতে পারে না, তাদের একটাই বক্তব্য রাশেদ খাঁন নব্য বিএনপি! অথচ জামায়াতের বর্তমান আমিরও জাসদ ছাত্রলীগের নেতা। এনসিপির আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব দুজনেই ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক নেতা! অতীতে বিএনপিতেও তো আমার মত অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে যোগদান করেছিলেন। তাহলে আমি কেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সাথে রাজনীতি করতে পারবো না? না কি আমার অপরাধ আমার ব্রেইন, আমার স্মৃতিশক্তি, আমার যুক্তিতর্ক? গালিগালাজ ও ব্যক্তি আক্রমণ করে আমাকে থামানো যাবে না। আমাকে থামাতে হলে রাজনৈতিক প্রতারণা বন্ধ করে দেশ ও জনগণের জন্য ইতিবাচক রাজনীতি করতে হবে। তাহলে বলা লাগবে না, আমিই আপনাদের প্রশংসা করবো, ইনশাআল্লাহ। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন, সবার হেদায়েত দান করুন, আমিন।
অনলাইন ডেক্স 






















