ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে ৮ মাসে ৮ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৪:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪৯ Time View

কিশোরগঞ্জে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে আটজনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া সবাই পুরুষ এবং তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। গত ছয় বছর আট মাসে জেলায় মোট ২৫ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।

প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি শনাক্তকরণে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা বন্ধু ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সালের আগপর্যন্ত কিশোরগঞ্জে কারও শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়নি। এরপর গত ছয় বছর আট মাসে অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জনের শরীরে ভাইরাসটি পাওয়া গেছে।

শরীরে এইচআইভি শনাক্ত ২৫ জনের মধ্যে ২২ জন বন্ধু ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন এবং তিনজন কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকার বাসিন্দা। চলতি বছরের আটজনের মধ্যে ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় পাঁচজন এবং কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় তিনজন শনাক্ত হয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শনাক্ত ব্যক্তিদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ২৫ জনের মধ্যে দুজন চিকিৎসার বাইরে চলে গেছেন। পরে জানা গেছে, তাঁরা প্রবাসে চলে গেছেন। অন্যরা অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি বা এআরটি নিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন সাইদুর রহমান ১০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলার এইচআইভি পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে কর্মসূচি ও পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সংসদ চত্বর ধূমপানমুক্ত ঘোষণা

কিশোরগঞ্জে ৮ মাসে ৮ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত

আপলোড সময় : ০৪:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কিশোরগঞ্জে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে আটজনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া সবাই পুরুষ এবং তাদের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। গত ছয় বছর আট মাসে জেলায় মোট ২৫ জনের শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে।

প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি শনাক্তকরণে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা বন্ধু ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সালের আগপর্যন্ত কিশোরগঞ্জে কারও শরীরে এইচআইভি শনাক্ত হয়নি। এরপর গত ছয় বছর আট মাসে অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জনের শরীরে ভাইরাসটি পাওয়া গেছে।

শরীরে এইচআইভি শনাক্ত ২৫ জনের মধ্যে ২২ জন বন্ধু ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন এবং তিনজন কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকার বাসিন্দা। চলতি বছরের আটজনের মধ্যে ভৈরব কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় পাঁচজন এবং কিশোরগঞ্জ কার্যালয়ের আওতাধীন এলাকায় তিনজন শনাক্ত হয়েছেন।

সংস্থাটি জানিয়েছে, শনাক্ত ব্যক্তিদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ২৫ জনের মধ্যে দুজন চিকিৎসার বাইরে চলে গেছেন। পরে জানা গেছে, তাঁরা প্রবাসে চলে গেছেন। অন্যরা অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি বা এআরটি নিচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন সাইদুর রহমান ১০ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেওয়ার পর জেলার এইচআইভি পরিস্থিতি সম্পর্কে বলেন, বিষয়টি উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে কর্মসূচি ও পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন