ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারীদের ওজন কমানোর সহজ ও নিরাপদ উপায়

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪৮ Time View

ঢাকার নগর জীবনে কর্মব্যস্ততা, অনিয়মিত খাবার, দীর্ঘসময় বসে কাজ করা, মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে অনেক নারী ওজন বৃদ্ধির সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফ্যাটি লিভার, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), জয়েন্টের ব্যথা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অনেকে দ্রুত ওজন কমানোর উপায় খোঁজেন, কিন্তু এভাবে ওজন কমানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বয়স, জীবনযাপন, স্বাস্থ্যগত অবস্থা, হরমোন, ওষুধ সেবনের ইতিহাস এবং খাদ্যাভ্যাস বিবেচনা না করে ডায়েট করলে ক্ষতি হতে পারে। তাই সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে ওজন কমানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউট্রিশনিস্ট নাহিদা আহমেদ ৫টি কার্যকরী টেকনিক শেয়ার করেছেন: সকালের নাস্তায় ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন রাখা, খাবার অন্তত ২০ বার চিবিয়ে খাওয়া, প্লেটের অর্ধেক অংশ শাকসবজি দিয়ে পূর্ণ করা, সূর্যাস্তের পর ভারী শর্করা এড়িয়ে চলা এবং ছোট প্লেটে খাবার খাওয়া।

ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস-এ প্রতিষ্ঠিত ওয়েট লস ক্লিনিক SPED বৈজ্ঞানিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওজন ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে। এখানে ক্লায়েন্টদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা মূল্যায়নের ভিত্তিতে খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২,০০০-এর বেশি ক্লায়েন্ট তাদের সেবা গ্রহণ করেছেন এবং গুগলে তাদের গড় রেটিং ৪.৯ স্টার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই যেকোনো ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি শুরু করার আগে একজন প্রশিক্ষিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন শুরু হচ্ছে, সংসদ চত্বর ধূমপানমুক্ত ঘোষণা

নারীদের ওজন কমানোর সহজ ও নিরাপদ উপায়

আপলোড সময় : ০২:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার নগর জীবনে কর্মব্যস্ততা, অনিয়মিত খাবার, দীর্ঘসময় বসে কাজ করা, মানসিক চাপ এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে অনেক নারী ওজন বৃদ্ধির সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ওজন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ফ্যাটি লিভার, পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS), জয়েন্টের ব্যথা এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অনেকে দ্রুত ওজন কমানোর উপায় খোঁজেন, কিন্তু এভাবে ওজন কমানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। বয়স, জীবনযাপন, স্বাস্থ্যগত অবস্থা, হরমোন, ওষুধ সেবনের ইতিহাস এবং খাদ্যাভ্যাস বিবেচনা না করে ডায়েট করলে ক্ষতি হতে পারে। তাই সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে ওজন কমানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

নিউট্রিশনিস্ট নাহিদা আহমেদ ৫টি কার্যকরী টেকনিক শেয়ার করেছেন: সকালের নাস্তায় ২০-২৫ গ্রাম প্রোটিন রাখা, খাবার অন্তত ২০ বার চিবিয়ে খাওয়া, প্লেটের অর্ধেক অংশ শাকসবজি দিয়ে পূর্ণ করা, সূর্যাস্তের পর ভারী শর্করা এড়িয়ে চলা এবং ছোট প্লেটে খাবার খাওয়া।

ঢাকার মিরপুর ডিওএইচএস-এ প্রতিষ্ঠিত ওয়েট লস ক্লিনিক SPED বৈজ্ঞানিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক ওজন ব্যবস্থাপনা সেবা প্রদান করছে। এখানে ক্লায়েন্টদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা মূল্যায়নের ভিত্তিতে খাদ্য পরিকল্পনা তৈরি করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২,০০০-এর বেশি ক্লায়েন্ট তাদের সেবা গ্রহণ করেছেন এবং গুগলে তাদের গড় রেটিং ৪.৯ স্টার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই যেকোনো ওজন নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি শুরু করার আগে একজন প্রশিক্ষিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন