২০২৪ সালের ১ জুলাই, বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হওয়ার দুই বছর পূর্তি হলো। ২০১৮ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ২০২২ সালে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যা সরকারের পতনের দিকে নিয়ে যায়। আন্দোলনটি শুরু হয় ৩৬ দিনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে, কিন্তু পরে সহিংসতায় রূপ নেয় এবং সরকার পতনের দাবিতে ছড়িয়ে পড়ে।
২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতৃত্বে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ৪ অক্টোবর, ২০১৮ সালে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন হাইকোর্ট ওই পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করলে কোটা পুনর্বহাল হয়, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন করে আন্দোলনের সঞ্চার করে।
বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নতুন সংগঠন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' গঠন করে এবং ৪ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের দাবির আইনি সুরাহা দাবি করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা মিছিল করে এবং ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও একই দাবিতে আন্দোলন করছে।
শিক্ষার্থীদের দাবি হলো কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহাল করা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের গ্রন্থাগার খোলা রাখা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা। আন্দোলনকারীরা সরকারের কাছে তাদের দাবি পূরণের জন্য ৪ জুলাইয়ের মধ্যে সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।
অনলাইন ডেক্স 



















