ঢাকা ১০:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে ‘লুটপাটের’ অভিযোগ জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৩১০ Time View

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের দলীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। 

তিনি হেডফোন দেখিয়ে বলেছেন, এখন এতবড় বোঝা মনে হয় এটা। একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন। 

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন শাহজাহান চৌধুরী। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 

সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের হাউসে সাউন্ড সিস্টেমটা, আমরাতো আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন, কিন্তু এত বড় একটা (হেডফোন দেখিয়ে) বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে। এটা ছাড়া যাতে করে একটা সাউন্ড সিস্টেম হয়। ১৯৯১ সালের সংসদে এটা ছাড়াই সংসদ চালিয়েছি। ২০০১ সালেও চার দলীয় সরকারের সময়েও হয়েছে।  

এই সংসদ সদস্য বলেন, এ জন্য সাউন্ড সিস্টেমটা সুন্দর করার জন্য একটি সাধারণ হেডফোন দিলে আমরা শুনতে পাই। কিন্তু এতবড় বোঝার দরকার নেই। হেডফোন ছাড়াও সংসদের সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিকায়ন করলে খুশি হব। 

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিরতির পরে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সভা শুরু হলে সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট হয়। স্পিকার হ্যান্ডমাইকে কিছুক্ষণ সভা পরিচালনা করেন। পরে তিনি ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশনের বিরতি দেন। বিরতি শেষে অধিবেশন শুরুর পরেও সংসদ কক্ষের সব মাইক ঠিক হয়নি। একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার জামায়াতের এমপি মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) হেডফোনের বিষয়ে অভিযোগ করেন। তিনি ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে লেখেন, এই হেডফোনের মান এতটাই ভয়াবহ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে। সাউন্ড কোয়ালিটি এমন নিম্নমানের—সংসদের পুরোনো ডিভাইস এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই। সম্পূর্ণভাবে হতাশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রদলের তিন কর্মী বহিষ্কার

সংসদের সাউন্ড সিস্টেমে ‘লুটপাটের’ অভিযোগ জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর

আপলোড সময় : ০৩:১৮:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের দলীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। 

তিনি হেডফোন দেখিয়ে বলেছেন, এখন এতবড় বোঝা মনে হয় এটা। একটা বাজেট করেছিল, আর ওখান থেকে লুটপাট বাহিনীরা একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছেন। 

রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন শাহজাহান চৌধুরী। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 

সংসদ সদস্য শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের হাউসে সাউন্ড সিস্টেমটা, আমরাতো আরও দুইবার সংসদে এসেছি, আপনিও এসেছেন, কিন্তু এত বড় একটা (হেডফোন দেখিয়ে) বোঝা মাথার ওপর দিয়ে এক-দুই ঘণ্টা বসা সবার জন্য কষ্টকর হচ্ছে। এটা ছাড়া যাতে করে একটা সাউন্ড সিস্টেম হয়। ১৯৯১ সালের সংসদে এটা ছাড়াই সংসদ চালিয়েছি। ২০০১ সালেও চার দলীয় সরকারের সময়েও হয়েছে।  

এই সংসদ সদস্য বলেন, এ জন্য সাউন্ড সিস্টেমটা সুন্দর করার জন্য একটি সাধারণ হেডফোন দিলে আমরা শুনতে পাই। কিন্তু এতবড় বোঝার দরকার নেই। হেডফোন ছাড়াও সংসদের সাউন্ড সিস্টেমটা আধুনিকায়ন করলে খুশি হব। 

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিরতির পরে নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সভা শুরু হলে সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট হয়। স্পিকার হ্যান্ডমাইকে কিছুক্ষণ সভা পরিচালনা করেন। পরে তিনি ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশনের বিরতি দেন। বিরতি শেষে অধিবেশন শুরুর পরেও সংসদ কক্ষের সব মাইক ঠিক হয়নি। একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি নিয়ে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।

বৃহস্পতিবার জামায়াতের এমপি মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) হেডফোনের বিষয়ে অভিযোগ করেন। তিনি ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে লেখেন, এই হেডফোনের মান এতটাই ভয়াবহ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা ধরেছে। সাউন্ড কোয়ালিটি এমন নিম্নমানের—সংসদের পুরোনো ডিভাইস এর চেয়ে পরিষ্কার অডিও দিত নিশ্চয়ই। সম্পূর্ণভাবে হতাশ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন