ঢাকায় সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনাগুলো ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনার সাথে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি সরকারের নেতৃত্বে এই চুক্তিগুলোর পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দেওয়ার পরই রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা বৃদ্ধি পায়।
জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশে চুক্তি পর্যালোচনার বিষয়ে ভারত সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সহিংসতা, যেমন মালিবাগ, মহাখালী ও যাত্রাবাড়ীতে ককটেল বিস্ফোরণ এবং দূরপাল্লার বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করছে। এই সহিংসতার পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সহিংসতা দেশের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে আন্তর্জাতিক মহলে বর্তমান সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা হতে পারে।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকারকে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা যায়।
অনলাইন ডেক্স 























