জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকার গণতন্ত্রের কবর রচনা করেছে। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, সামাজিক সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
তিনি সোমবার আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এক বার্তায় বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এনে দিয়েছে। নির্বাচনের পূর্বে বিএনপি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা ক্ষমতায় এসে ভুলে গেছে।
ডা. শফিকুর রহমান গণতন্ত্রকে কেবল সরকার গঠনের একটি সাময়িক প্রক্রিয়া হিসেবে না দেখে, বরং মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত হতে পারে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপ্লব ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না এবং বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গঠনের জন্য কাজ করতে হবে। জামায়াত দেশের সমতা, আইনের শাসন, নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।
এদিন বিকেলে জামায়াত আমির মিরপুরে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে অতীতে সরকারের নেতৃত্বে যারা ছিলেন, তাদের ব্যর্থতার কারণে জাতি কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।
ডা. শফিকুর রহমান শিক্ষার অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এখন স্কুলে লেখাপড়া হয় না এবং শিক্ষার্থীদের ঘরে ঘরে দৌড়াদৌড়ি করে লেখাপড়া করতে হয়, যা সুস্থ সমাজের পরিচায়ক নয়। রাষ্ট্রকে শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের পূর্ণ দায়িত্ব নিতে হবে।
অনলাইন ডেক্স 























