ঢাকা ০৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৮ বছরের শিশু ওয়াফা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:১৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০০ Time View

গাজায় নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্কুলে যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ৮ বছর বয়সি ফিলিস্তিনি শিশু ওয়াফা ইউসুফ নাবিল আকিলা ও তার বাবা। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আল-শিফা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামিদ মোড়ের কাছে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে হামলা চালানো হয়। এতে ওয়াফা ও তার বাবা মারা যান এবং আরও ছয়জন আহত হন। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে ওয়াফার হাসিমুখের ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে সে নতুন স্কুল ইউনিফর্ম পরে ছিল।

ঘটনার পর স্থানীয়দের ক্ষোভ প্রকাশ পায়। একজন বলেন, "পৃথিবী দেখুক, এটাই শিশুটির অবশিষ্টাংশ।" অন্য একজন মন্তব্য করেন, "এখানে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। প্রতিদিন গণহত্যা হচ্ছে।"

ওয়াফার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও গাজায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কেন থামছে না।

হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামাসের একজন সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি। গাজায় চলতি মাসের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুল খোলার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষার্থী এখন অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা করছে।

একই দিনে গাজার বিভিন্ন জায়গায় আরও কয়েকজন ফিলিস্তিনি শিশু ও তরুণ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। ওয়াফার মৃত্যু আবারও গাজার শিশুদের নিরাপত্তা এবং চলমান সংঘাতের মধ্যে তাদের শিক্ষাজীবনের অনিশ্চয়তার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিল্পী হওয়া পাপ, বাঁধনের ওপর হামলায় মৌসুমী হামিদের ক্ষোভ

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৮ বছরের শিশু ওয়াফা

আপলোড সময় : ০৫:১৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গাজায় নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। স্কুলে যাওয়ার পর পরিবারের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে ইসরায়েলি বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছে ৮ বছর বয়সি ফিলিস্তিনি শিশু ওয়াফা ইউসুফ নাবিল আকিলা ও তার বাবা। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আল-শিফা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হামিদ মোড়ের কাছে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে হামলা চালানো হয়। এতে ওয়াফা ও তার বাবা মারা যান এবং আরও ছয়জন আহত হন। হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে ওয়াফার হাসিমুখের ছবি ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে সে নতুন স্কুল ইউনিফর্ম পরে ছিল।

ঘটনার পর স্থানীয়দের ক্ষোভ প্রকাশ পায়। একজন বলেন, "পৃথিবী দেখুক, এটাই শিশুটির অবশিষ্টাংশ।" অন্য একজন মন্তব্য করেন, "এখানে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। প্রতিদিন গণহত্যা হচ্ছে।"

ওয়াফার মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, যুদ্ধবিরতির কথা বলা হলেও গাজায় বেসামরিক মানুষের মৃত্যু কেন থামছে না।

হামলার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, তারা হামাসের একজন সদস্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এসব দাবির পক্ষে কোনো প্রকাশ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি। গাজায় চলতি মাসের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্কুল খোলার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষার্থী এখন অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে পড়াশোনা করছে।

একই দিনে গাজার বিভিন্ন জায়গায় আরও কয়েকজন ফিলিস্তিনি শিশু ও তরুণ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। ওয়াফার মৃত্যু আবারও গাজার শিশুদের নিরাপত্তা এবং চলমান সংঘাতের মধ্যে তাদের শিক্ষাজীবনের অনিশ্চয়তার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন