ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু মুসার সুরক্ষায় এগিয়ে এলেন ইউএনও মাহমুদ হাসান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২১৪ Time View

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান দেড় বছরের শিশু মুসার ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি শিশুটির নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউএনও মাহমুদ হাসান এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি শিশু মুসার দাদা ও দাদির হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

শিশু মুসা রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে উদ্ধার হয়। তাকে তার দাদা মফিজ মুন্সী ও দাদি মাহফুজা বেগমের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, মুসার বাবা মারুফ মুন্সি পারিবারিক কলহের কারণে এক মাস আগে তার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মারুফ তার ছেলে মুসাকে 'ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার' কথা বলে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে জানা যায়, মারুফ তার ছেলেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।

ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হলে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মারুফকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তান বিক্রির কথা স্বীকার করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্তের শ্বশুরের মাধ্যমে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

ইউএনও মাহমুদ হাসান বলেন, 'শিশু মুসার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সুধীজনের সহায়তায় একটি তহবিল গঠনের কাজ চলছে।'

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সদরদপ্তর রিয়াদে, প্রথম মহাসচিব পাকিস্তানি

শিশু মুসার সুরক্ষায় এগিয়ে এলেন ইউএনও মাহমুদ হাসান

আপলোড সময় : ০৫:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহমুদ হাসান দেড় বছরের শিশু মুসার ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি শিশুটির নামে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলাসহ বিভিন্ন সহায়তার ব্যবস্থা করছেন।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইউএনও মাহমুদ হাসান এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি শিশু মুসার দাদা ও দাদির হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।

শিশু মুসা রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে উদ্ধার হয়। তাকে তার দাদা মফিজ মুন্সী ও দাদি মাহফুজা বেগমের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, মুসার বাবা মারুফ মুন্সি পারিবারিক কলহের কারণে এক মাস আগে তার স্ত্রীকে বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মারুফ তার ছেলে মুসাকে 'ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার' কথা বলে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তারা ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে জানা যায়, মারুফ তার ছেলেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন।

ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত হলে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে মারুফকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তান বিক্রির কথা স্বীকার করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্তের শ্বশুরের মাধ্যমে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

ইউএনও মাহমুদ হাসান বলেন, 'শিশু মুসার ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সুধীজনের সহায়তায় একটি তহবিল গঠনের কাজ চলছে।'

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন