ঢাকা ০৩:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেন জি’র জন্য বিশ্বের সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০১ Time View

জেনারেশন জি বা জেন জি’র জন্য বিশ্বের সেরা শহর হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে জাপানের রাজধানী টোকিও। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পর্তুগালের পোর্তো এবং তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন।

টাইম আউটের ২০২৬ সালের এই তালিকা ১৫০টি শহরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ৪ হাজার মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের আনন্দ, রেস্তোরাঁর মান ও খরচ, বিনোদন, হাঁটার সুবিধা, সামাজিক পরিবেশ এবং নতুন বন্ধু তৈরির সুযোগের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে।

টোকিওর শীর্ষে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে বাসিন্দাদের সুখ এবং শহরটির সমৃদ্ধ বিনোদন ও নাইটলাইফ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মনে করেন, সেখানে রাতের বিনোদন সাশ্রয়ী।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা পোর্তোর শক্তি এর সামাজিক পরিবেশ ও তুলনামূলক কম খরচ। শহরটি বাইরে খাওয়া, পানীয় এবং শিল্প ও সংস্কৃতির নানা আয়োজনের জন্য তরুণদের কাছে আকর্ষণীয়। জরিপে অংশ নেওয়া সবাই পোর্তোকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মেলবোর্নের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সাংস্কৃতিক পরিবেশ। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৭ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, শহরটিতে প্রায় প্রতিদিনই স্বাধীন থিয়েটার, লাইভ মিউজিক, কমেডি ও ইম্প্রোভ শোর মতো আয়োজন পাওয়া যায়। তবে শহরটির জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক বেশি।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্যের এডিনবরো, যা সবুজ জায়গা, নাইটলাইফ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের জন্য লন্ডনকে পেছনে ফেলেছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই, যেখানে ৭৬ শতাংশ তরুণ বলেছেন, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া ও বন্ধুত্ব করা সহজ। তালিকার শীর্ষ ২০ শহরের মধ্যে ১০টি ইউরোপের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল-অভিনেতা ডন আটক

জেন জি’র জন্য বিশ্বের সেরা শহরের তালিকা প্রকাশ

আপলোড সময় : ০২:৪০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

জেনারেশন জি বা জেন জি’র জন্য বিশ্বের সেরা শহর হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে জাপানের রাজধানী টোকিও। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পর্তুগালের পোর্তো এবং তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন।

টাইম আউটের ২০২৬ সালের এই তালিকা ১৫০টি শহরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী ৪ হাজার মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে। জরিপে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের আনন্দ, রেস্তোরাঁর মান ও খরচ, বিনোদন, হাঁটার সুবিধা, সামাজিক পরিবেশ এবং নতুন বন্ধু তৈরির সুযোগের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে।

টোকিওর শীর্ষে থাকার অন্যতম কারণ হিসেবে বাসিন্দাদের সুখ এবং শহরটির সমৃদ্ধ বিনোদন ও নাইটলাইফ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মনে করেন, সেখানে রাতের বিনোদন সাশ্রয়ী।

দ্বিতীয় স্থানে থাকা পোর্তোর শক্তি এর সামাজিক পরিবেশ ও তুলনামূলক কম খরচ। শহরটি বাইরে খাওয়া, পানীয় এবং শিল্প ও সংস্কৃতির নানা আয়োজনের জন্য তরুণদের কাছে আকর্ষণীয়। জরিপে অংশ নেওয়া সবাই পোর্তোকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মেলবোর্নের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ সাংস্কৃতিক পরিবেশ। জরিপে অংশ নেওয়া ৯৭ শতাংশ তরুণ জানিয়েছেন, শহরটিতে প্রায় প্রতিদিনই স্বাধীন থিয়েটার, লাইভ মিউজিক, কমেডি ও ইম্প্রোভ শোর মতো আয়োজন পাওয়া যায়। তবে শহরটির জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলক বেশি।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্যের এডিনবরো, যা সবুজ জায়গা, নাইটলাইফ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের জন্য লন্ডনকে পেছনে ফেলেছে। পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই, যেখানে ৭৬ শতাংশ তরুণ বলেছেন, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া ও বন্ধুত্ব করা সহজ। তালিকার শীর্ষ ২০ শহরের মধ্যে ১০টি ইউরোপের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন