ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃদ্ধা তহমিনার মানবেতর জীবন, সন্তানদের অবহেলায় একমাত্র আশ্রয় ঝুপড়ি ঘর

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০২ Time View

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের বালুকাপাড়া খুলোপুকুরিয়া পাহাড়ের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী তহমিনা, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের পর সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি এখন সরকারি জায়গায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করছেন।

তহমিনার দুই সন্তান বিয়ে করে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর তারা আর মায়ের খোঁজখবর রাখে না। তার ঘরের অবস্থা অত্যন্ত করুণ; ছিদ্রযুক্ত চালের কারণে বৃষ্টির সময় পানি ঘরে প্রবাহিত হয়। শীতের সময় তিনি চরম দুর্ভোগে পড়েন।

রান্নাঘরের অবস্থা আরও খারাপ। সামান্য বৃষ্টিতেই উঠান ও ঘরে পানি জমে যায়। নিরাপদ টিউবওয়েল বা স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন তিনি নানা কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এলাকার সচেতন মানুষ তহমিনার পাশে দাঁড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসন, বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সামান্য সহযোগিতাই তহমিনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে।

তহমিনা বলেন, "মানুষের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের মানুষ করেছি। এখন বয়সের কারণে কাজ করতে পারি না। ঘরে খাবার নেই, ওষুধ কেনার টাকা নেই। সরকার যদি আমাকে একটি ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে বৃদ্ধ বয়সে শান্তিতে থাকতে পারতাম।"

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রূপালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বৃদ্ধা তহমিনার মানবেতর জীবন, সন্তানদের অবহেলায় একমাত্র আশ্রয় ঝুপড়ি ঘর

আপলোড সময় : ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলা শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের বালুকাপাড়া খুলোপুকুরিয়া পাহাড়ের বাসিন্দা ৭০ বছর বয়সী তহমিনা, স্বামী দ্বিতীয় বিয়ের পর সংসার ভেঙে যাওয়ার পর বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি এখন সরকারি জায়গায় একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘরে বসবাস করছেন।

তহমিনার দুই সন্তান বিয়ে করে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর তারা আর মায়ের খোঁজখবর রাখে না। তার ঘরের অবস্থা অত্যন্ত করুণ; ছিদ্রযুক্ত চালের কারণে বৃষ্টির সময় পানি ঘরে প্রবাহিত হয়। শীতের সময় তিনি চরম দুর্ভোগে পড়েন।

রান্নাঘরের অবস্থা আরও খারাপ। সামান্য বৃষ্টিতেই উঠান ও ঘরে পানি জমে যায়। নিরাপদ টিউবওয়েল বা স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন তিনি নানা কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

এলাকার সচেতন মানুষ তহমিনার পাশে দাঁড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসন, বিত্তবান ব্যক্তি, প্রবাসী ও মানবিক সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, সামান্য সহযোগিতাই তহমিনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারে।

তহমিনা বলেন, "মানুষের বাড়িতে কাজ করে সন্তানদের মানুষ করেছি। এখন বয়সের কারণে কাজ করতে পারি না। ঘরে খাবার নেই, ওষুধ কেনার টাকা নেই। সরকার যদি আমাকে একটি ঘর ও খাবারের ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে বৃদ্ধ বয়সে শান্তিতে থাকতে পারতাম।"

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন