ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫৫ বছর পর মুক্তিযোদ্ধার শরীর থেকে গুলি অপসারণ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ২০৩ Time View

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ৫৫ বছর ধরে শরীরে বহন করা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ছোড়া একটি গুলি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। ৭৫ বছর বয়সী মন্নাস আলীর শরীর থেকে শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে গুলিটি বের করা হয়।

স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হানের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল প্রায় ৩০ মিনিটের সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গুলিটি অপসারণ করে। বর্তমানে মন্নাস আলী চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

মন্নাস আলী গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের হরিয়াউন্দ গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দুর্গাপুরে একটি ক্যাম্প স্থাপন করে এবং প্রতিশোধ নিতে আশপাশের গ্রামগুলোতে হামলা চালায়। হামলার সময় তিনি গুরুতর আহত হন এবং গুলি তার পেটে বিদ্ধ হয়।

দারিদ্র্য ও চিকিৎসার অভাবে দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে তিনি গুলিটি শরীরে বহন করছিলেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আলোচনায় আসলে চিকিৎসকদের উদ্যোগে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন তিনি দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণার থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি সম্পর্কে আশাবাদী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে

৫৫ বছর পর মুক্তিযোদ্ধার শরীর থেকে গুলি অপসারণ

আপলোড সময় : ০২:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ৫৫ বছর ধরে শরীরে বহন করা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ছোড়া একটি গুলি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। ৭৫ বছর বয়সী মন্নাস আলীর শরীর থেকে শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে গুলিটি বের করা হয়।

স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হানের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল প্রায় ৩০ মিনিটের সফল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গুলিটি অপসারণ করে। বর্তমানে মন্নাস আলী চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

মন্নাস আলী গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের হরিয়াউন্দ গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দুর্গাপুরে একটি ক্যাম্প স্থাপন করে এবং প্রতিশোধ নিতে আশপাশের গ্রামগুলোতে হামলা চালায়। হামলার সময় তিনি গুরুতর আহত হন এবং গুলি তার পেটে বিদ্ধ হয়।

দারিদ্র্য ও চিকিৎসার অভাবে দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে তিনি গুলিটি শরীরে বহন করছিলেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার শারীরিক অবস্থার বিষয়টি আলোচনায় আসলে চিকিৎসকদের উদ্যোগে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন তিনি দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণার থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি সম্পর্কে আশাবাদী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন