ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এফএফডব্লিউসি’র পূর্বাভাস: জুলাই ও আগস্টে বন্যার ঝুঁকি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • ২০১ Time View

বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। এফএফডব্লিউসির নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেছেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি সব সময়ই থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালের বন্যায় প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল, এবং ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। এফএফডব্লিউসি জানায়, আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, যা নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত করতে পারে।

এছাড়া, আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। বর্তমানে নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট ও নেত্রকোনায় বিভিন্ন নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানে পৌঁছেছে

এফএফডব্লিউসি’র পূর্বাভাস: জুলাই ও আগস্টে বন্যার ঝুঁকি

আপলোড সময় : ০১:৩৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশের ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী অববাহিকায় চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। এফএফডব্লিউসির নির্বাহী প্রকৌশলী সারদার উদয় রায়হান বলেছেন, জলবায়ুগত কারণে এই সময়ে বন্যার ঝুঁকি সব সময়ই থাকে।

ঐতিহাসিকভাবে, বর্ষা মৌসুমের এই সময়েই দেশে ভয়াবহ বন্যা ঘটে। ১৯৮৮ সালের বন্যায় প্রায় ৮২ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়েছিল, এবং ১৯৯৮ সালের বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, একই সময়ে ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর পানির উচ্চপ্রবাহ সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

বর্তমানে ব্রহ্মপুত্র নদ অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, তবে আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হতে পারে। এফএফডব্লিউসি জানায়, আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাই কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে, যা নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত করতে পারে।

এছাড়া, আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। বর্তমানে নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট ও নেত্রকোনায় বিভিন্ন নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন