ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় বাধা: জামায়াত এমপি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • ২০১ Time View

নতুন অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হওয়ার পর বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা নাজিবুর রহমান মোমেন একে ‘অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও অবাস্তবায়নযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট পাসের পর তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হবে দেশের ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত।

মোমেন বলেন, তিনি সংসদ অধিবেশনে জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছেন এবং সরকারের কাছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের মতো কিছু ন্যায্য দাবি উত্থাপন করেছিলেন, যা সরকার মেনে নিয়েছে। তবে পুলিশ বাহিনীকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান ও সিআরপিসি ২৫৩ ধারার প্রয়োগ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য একটি সংস্কার কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বাজেটে জুলাইয়ের ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে। সরকার ঘাটতি মেটাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা আসবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। যদিও গত অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা, নতুন বাজেটে তা ৬ হাজার কোটি টাকা কমেছে। তবুও, মোমেন মনে করেন, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের মূল প্রতিবন্ধক হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুল ফিডিংয়ের খাবার আত্মসাত: প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নে বড় বাধা: জামায়াত এমপি

আপলোড সময় : ১১:১০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

নতুন অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হওয়ার পর বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা নাজিবুর রহমান মোমেন একে ‘অপরিকল্পিত, অস্বচ্ছ ও অবাস্তবায়নযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট পাসের পর তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হবে দেশের ভঙ্গুর ব্যাংকিং খাত।

মোমেন বলেন, তিনি সংসদ অধিবেশনে জনগণের স্বার্থে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করেছেন এবং সরকারের কাছে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বাতিলের মতো কিছু ন্যায্য দাবি উত্থাপন করেছিলেন, যা সরকার মেনে নিয়েছে। তবে পুলিশ বাহিনীকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদান ও সিআরপিসি ২৫৩ ধারার প্রয়োগ নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি আরও জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য একটি সংস্কার কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। বাজেটে জুলাইয়ের ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করার জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাস হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা ঘাটতি নিয়ে। সরকার ঘাটতি মেটাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা আসবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। যদিও গত অর্থবছরে ব্যাংক থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা, নতুন বাজেটে তা ৬ হাজার কোটি টাকা কমেছে। তবুও, মোমেন মনে করেন, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের মূল প্রতিবন্ধক হয়ে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন