ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিকত্বের অভিযোগ

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৫ Time View

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার অভিযোগের তদন্ত চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় তার নাম রয়েছে।

দীপক চন্দ্র সরকার উত্তর বর্ধমানের শক্তিগড় থানার ২নং বরশুল গ্রামের বাসিন্দা। একই ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়া ঢেমশাখালী গ্রামের ভোটার। তার পরিবারে আরও কয়েকজন সদস্য ভারতীয় নাগরিক ও ভোটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ভারতে পাঠিয়ে দিলেও দেশে বসে স্কুলের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, দীপক চন্দ্র সরকার স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে স্কুলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া নিয়োগের জন্য মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করেছেন। স্থানীয়রা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

এছাড়া, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে স্কুলের প্রণোদনা অনুদান বাবদ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা যথাযথভাবে ব্যয় হলেও বাকি টাকায় কাজের নামে নয়ছয় হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, তিনি বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতীয় ভোটার নন। তিনি স্কুলের অনুদান আত্মসাৎ কিংবা নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগও সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের জন্য দায়ী দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা: গোলাম পরওয়ার

প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিকত্বের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৫:৪৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার পাইকগাছা উপজেলার খড়িয়া নবারুণ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিকত্ব ও ভোটার হওয়ার অভিযোগের তদন্ত চলছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় তার নাম রয়েছে।

দীপক চন্দ্র সরকার উত্তর বর্ধমানের শক্তিগড় থানার ২নং বরশুল গ্রামের বাসিন্দা। একই ব্যক্তি পাইকগাছা উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের খড়িয়া ঢেমশাখালী গ্রামের ভোটার। তার পরিবারে আরও কয়েকজন সদস্য ভারতীয় নাগরিক ও ভোটার। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি ভারতে পাঠিয়ে দিলেও দেশে বসে স্কুলের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন।

অভিযোগ রয়েছে, দীপক চন্দ্র সরকার স্বেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে স্কুলে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, নিরাপত্তা কর্মী ও আয়া নিয়োগের জন্য মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেন করেছেন। স্থানীয়রা এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

এছাড়া, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে স্কুলের প্রণোদনা অনুদান বাবদ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে দেখা গেছে, দুই লাখ ২৫ হাজার টাকা যথাযথভাবে ব্যয় হলেও বাকি টাকায় কাজের নামে নয়ছয় হয়েছে।

প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকার অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেন, তিনি বাংলাদেশি নাগরিক এবং ভারতীয় ভোটার নন। তিনি স্কুলের অনুদান আত্মসাৎ কিংবা নিয়োগ নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগও সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন