ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১৮ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৯:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০২ Time View

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে ১৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এই বিদ্যালয়গুলো রংপুর বিভাগের আট জেলার অন্তর্ভুক্ত।

ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি বিদ্যালয়, কুড়িগ্রামের চারটি, রংপুর, পঞ্চগড় ও গাইবান্ধায় দুটি করে এবং দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে একটি করে বিদ্যালয় রয়েছে। পাস শূন্য বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ঘাসিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, এবং উত্তর দামোদরপুর কাগজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে এই ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা মনে করছেন, শিক্ষকতার মান, নিয়মিত ক্লাসের অভাব এবং প্রশাসনিক নজরদারির অভাবই এই ফলাফলের কারণ।

শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ কম।

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ বলেছেন, ফলাফল কমার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডেও ফলাফল কিছুটা কমেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠা

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ১৮ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফেল করেছে

আপলোড সময় : ০৯:৩০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে ১৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এই বিদ্যালয়গুলো রংপুর বিভাগের আট জেলার অন্তর্ভুক্ত।

ঠাকুরগাঁও জেলার পাঁচটি বিদ্যালয়, কুড়িগ্রামের চারটি, রংপুর, পঞ্চগড় ও গাইবান্ধায় দুটি করে এবং দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে একটি করে বিদ্যালয় রয়েছে। পাস শূন্য বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ঘাসিপুর উচ্চ বিদ্যালয়, এবং উত্তর দামোদরপুর কাগজীপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহলে এই ফলাফল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। অভিভাবক ও স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা মনে করছেন, শিক্ষকতার মান, নিয়মিত ক্লাসের অভাব এবং প্রশাসনিক নজরদারির অভাবই এই ফলাফলের কারণ।

শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাশের হার ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ কম।

দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস আহমেদ বলেছেন, ফলাফল কমার কারণ খতিয়ে দেখা হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডেও ফলাফল কিছুটা কমেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন