ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধের মধ্যেও তেল বিক্রি করে ৭৫০ কোটি ডলার আয় ইরানের

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১০:২৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ২০৭ Time View

২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আরোপিত যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই তেল বিক্রিতে এমন সাফল্য দেখিয়েছে দেশটি। ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্জিত সব বৈদেশিক মুদ্রা ইতিমধ্যে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে জমা দেয়া হয়েছে।

ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফারস নিউজ জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন রোধ ও বিকল্প বিপণনব্যবস্থা জোরদার করার ফলেই এই সফলতা এসেছে।

ফারস নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই চার মাসে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে, তা দিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত ইরানি সরকারের যাবতীয় জরুরি পণ্য আমদানি ও প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হয়। পরে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি বন্দর এবং জাহাজগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ জারির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপের ফলে ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে, বন্ধ হয়ে যাবে তেল রপ্তানি। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংঘাত পাশ কাটিয়ে দেশটির তেল উত্তোলন ও আন্তর্জাতিক বাজারে তা পৌঁছে দেয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ওপেন ব্যালটে ভোটগ্রহণ হবে: সিইসি

যুদ্ধের মধ্যেও তেল বিক্রি করে ৭৫০ কোটি ডলার আয় ইরানের

আপলোড সময় : ১০:২৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বিক্রি থেকে ৭৫০ কোটি মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আরোপিত যুদ্ধ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই তেল বিক্রিতে এমন সাফল্য দেখিয়েছে দেশটি। ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারসের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অর্জিত সব বৈদেশিক মুদ্রা ইতিমধ্যে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে জমা দেয়া হয়েছে।

ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফারস নিউজ জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের দরপতন রোধ ও বিকল্প বিপণনব্যবস্থা জোরদার করার ফলেই এই সফলতা এসেছে।

ফারস নিউজের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই চার মাসে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়েছে, তা দিয়ে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ পর্যন্ত ইরানি সরকারের যাবতীয় জরুরি পণ্য আমদানি ও প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হয়। পরে হরমুজ প্রণালিতে ইরানি বন্দর এবং জাহাজগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ জারির ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্লেষকদের ধারণা ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের এসব পদক্ষেপের ফলে ইরানের জ্বালানি পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে, বন্ধ হয়ে যাবে তেল রপ্তানি। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সংঘাত পাশ কাটিয়ে দেশটির তেল উত্তোলন ও আন্তর্জাতিক বাজারে তা পৌঁছে দেয়ার ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন