ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামানের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের নাটক সাজিয়ে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারী মিরাজ জামান রাজ নামের এক ব্যবসায়ী ও সাংবাদিক এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ৩ আগস্ট মিরাজ জামান রাজকে হামদহ এলাকায় ব্যবসায়ী লিমন সাহার কাছে তার পাওনা ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য ডাকা হয়। সেখানে লিমন সাহা তিন মাসের মধ্যে টাকা পরিশোধের চুক্তি করেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওসি মো. আসাদউজ্জামান তাকে ফোন করে থানায় আসতে বলেন এবং জানান যে লিমনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুমের অভিযোগ করা হয়েছে।
মিরাজ অভিযোগ করেন, থানায় গিয়ে তিনি ওসির কাছে জানতে পারেন যে, লিমনের ভাই অমিত সাহা অভিযোগ করেছেন। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা গকুল চন্দ্র তাকে ভয়ভীতি দেখান। মিরাজ বলেন, তিনি লিমনের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করার কথা বললেও তাকে প্রায় চার ঘণ্টা থানায় আটকে রাখা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরদিন থেকে লিমন সাহার পক্ষ থেকে আপস-মীমাংসার প্রস্তাব আসতে থাকে, যদিও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লিটন জানান যে লিমনকে পাওয়া যাচ্ছে না। মিরাজের দাবি, পুরো ঘটনা সাজানো হয়েছে এবং এর মাধ্যমে তার পাওনা টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে ওসি মো. আসাদউজ্জামান বলেন, তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং মিরাজের কাছ থেকে স্ট্যাম্প উদ্ধারের পরদিনই অপহৃত ব্যক্তি থানায় হাজির হয়েছেন। ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন্ হাছান বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেক্স 






















