ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়পুরহাটে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৪৩ Time View

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ইয়ানূর হোসেন (৩৫) নামে এক যুবদলের এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হামলায় নিহতের সহযোগী আব্দুল মোমিনও গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ঢাকারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

ইয়ানূর উপজেলার ছালাখুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে। তিনি যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে স্থানীয় মসজিদের ওয়াজ মাহফিলের টাকার হিসাবের দায়িত্বে ছিলেন ইয়ানূর। একই এলাকার মোস্তফার সঙ্গে মাহফিলের আদায় করা টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে ইয়ানূর ও মোস্তফা গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা হামলার ঘটনাও ঘটে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইয়ানূর ও মোমিন বাড়ি ফেরার সময় তাদের ওপর প্রতিপক্ষরা হামলা চালায়। এ সময় তাদের তাদের চিৎকারে গ্রামবাসী উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলেও পথেই ইয়ানূর মারা যান। গুরুতর আহত মোমিনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। 

পাঁচবিবি থানার ওসি আব্দুল হাফিজ মো. রায়হান শুক্রবার বলেন, ইয়ানূরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

তিনি বলেন, মসজিদের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত ঘটনার দ্বন্দ্বে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে সব বিষয় মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত করছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে সোহেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, নিহতের পরিবার এখনো মামলা করেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইনে হুংকার দিয়ে জনগণকে ভয় দেখানো যাবে না: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জয়পুরহাটে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

আপলোড সময় : ০৬:৪৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ইয়ানূর হোসেন (৩৫) নামে এক যুবদলের এক কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হামলায় নিহতের সহযোগী আব্দুল মোমিনও গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার কুসুম্বা ইউনিয়নের ঢাকারপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। 

ইয়ানূর উপজেলার ছালাখুর গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে। তিনি যুবদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে স্থানীয় মসজিদের ওয়াজ মাহফিলের টাকার হিসাবের দায়িত্বে ছিলেন ইয়ানূর। একই এলাকার মোস্তফার সঙ্গে মাহফিলের আদায় করা টাকার হিসাব নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে ইয়ানূর ও মোস্তফা গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফা হামলার ঘটনাও ঘটে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইয়ানূর ও মোমিন বাড়ি ফেরার সময় তাদের ওপর প্রতিপক্ষরা হামলা চালায়। এ সময় তাদের তাদের চিৎকারে গ্রামবাসী উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলেও পথেই ইয়ানূর মারা যান। গুরুতর আহত মোমিনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। 

পাঁচবিবি থানার ওসি আব্দুল হাফিজ মো. রায়হান শুক্রবার বলেন, ইয়ানূরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

তিনি বলেন, মসজিদের হিসাব-নিকাশ সংক্রান্ত ঘটনার দ্বন্দ্বে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে সব বিষয় মাথায় রেখে পুলিশ তদন্ত করছে।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকালে সোহেল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, নিহতের পরিবার এখনো মামলা করেনি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন