ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের আন্দোলনে ঢুকে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছিল মোসাদ এজেন্টরা

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৩:২৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩৫ Time View

জানুয়ারি মাসটাকে এখন বহুকাল আগের বলে মনে হচ্ছে। মাস চারেক আগেও ইরানে বড় বিক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। প্রথমে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সামগ্রিক ক্ষোভে পরিণত হয়। কিন্তু এই বিক্ষোভের মধ্যে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা এখনো অনেকের মাথায় ঘুরছে।

একজন ইরানি জানান, তিনি তেহরানের একটি শান্ত গলিতে দেখেছেন ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে এক ব্যক্তি হঠাৎ রিভলভার বের করে দুটি মেয়েকে গুলি করে। কাস্পিয়ান সাগরের কাছে একটি উত্তরের শহরে নিজের বাড়ির ছাদ থেকে এই দৃশ্য দেখেছেন বলে সূত্রটি মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে।

তেহরান থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে কাজভিনেও একই ধরনের ঘটনার কথা জানিয়েছেন আইআরজিসির ভেতরের একটি সূত্র। সেখানে কোনো বিক্ষোভ ছাড়াই একটি রাস্তায় একজন মা ও তার ছোট ছেলেকে হত্যা করা হয়, এমন অস্ত্র দিয়ে যা ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর নয়।

৮ জানুয়ারি পূর্ব তেহরানের একটি বিক্ষোভে যোগ দেওয়া একজন জানান, মুখোশ পরা একদল মানুষ একসাথে চলছিল, স্লোগান দিচ্ছিল এবং মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। ইউরোপের ‘ব্ল্যাক ব্লক’ কৌশলের মতো তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ শুরু হলেই হঠাৎ উধাও হয়ে যেত। এই কৌশল ইরানে সম্পূর্ণ অপরিচিত।

ইরানের সরকারি হিসাবে বিক্ষোভে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। তবে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হ্রানার হিসাব বলছে সংখ্যাটি কমপক্ষে সাত হাজার।

ইসরাইলের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক্সে লিখেছিলেন, ‘ইরানের রাস্তায় থাকা প্রতিটি মোসাদ এজেন্টকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।’ ইসরাইলের এক মন্ত্রী সরাসরি বলেছেন, ‘আমাদের লোকেরা এখন সেখানে কাজ করছে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

ইরানের আন্দোলনে ঢুকে সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছিল মোসাদ এজেন্টরা

আপলোড সময় : ০৩:২৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

জানুয়ারি মাসটাকে এখন বহুকাল আগের বলে মনে হচ্ছে। মাস চারেক আগেও ইরানে বড় বিক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। প্রথমে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সামগ্রিক ক্ষোভে পরিণত হয়। কিন্তু এই বিক্ষোভের মধ্যে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে যা এখনো অনেকের মাথায় ঘুরছে।

একজন ইরানি জানান, তিনি তেহরানের একটি শান্ত গলিতে দেখেছেন ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে এক ব্যক্তি হঠাৎ রিভলভার বের করে দুটি মেয়েকে গুলি করে। কাস্পিয়ান সাগরের কাছে একটি উত্তরের শহরে নিজের বাড়ির ছাদ থেকে এই দৃশ্য দেখেছেন বলে সূত্রটি মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে।

তেহরান থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে কাজভিনেও একই ধরনের ঘটনার কথা জানিয়েছেন আইআরজিসির ভেতরের একটি সূত্র। সেখানে কোনো বিক্ষোভ ছাড়াই একটি রাস্তায় একজন মা ও তার ছোট ছেলেকে হত্যা করা হয়, এমন অস্ত্র দিয়ে যা ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর নয়।

৮ জানুয়ারি পূর্ব তেহরানের একটি বিক্ষোভে যোগ দেওয়া একজন জানান, মুখোশ পরা একদল মানুষ একসাথে চলছিল, স্লোগান দিচ্ছিল এবং মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। ইউরোপের ‘ব্ল্যাক ব্লক’ কৌশলের মতো তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষ শুরু হলেই হঠাৎ উধাও হয়ে যেত। এই কৌশল ইরানে সম্পূর্ণ অপরিচিত।

ইরানের সরকারি হিসাবে বিক্ষোভে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। তবে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হ্রানার হিসাব বলছে সংখ্যাটি কমপক্ষে সাত হাজার।

ইসরাইলের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এক্সে লিখেছিলেন, ‘ইরানের রাস্তায় থাকা প্রতিটি মোসাদ এজেন্টকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।’ ইসরাইলের এক মন্ত্রী সরাসরি বলেছেন, ‘আমাদের লোকেরা এখন সেখানে কাজ করছে।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন