ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১১:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ২৭১ Time View

বর্তমান জ্বালানি সংকটকে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়েও ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমানে এক বিশাল হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে।’খবর আল জাজিরার।

আজ সোমবার (২৩ মার্চ) ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন আইএইএ প্রধান।

ফতিহ বিরল বর্তমান পরিস্থিতিকে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্বের কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না। এই সংকট নিরসনে এখন বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’ তিনি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

আইইএ প্রধান আরও জানান, চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে এ অঞ্চলের অন্তত ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা ‘ভয়াবহভাবে’ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইইএ ইতিমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

ফতিহ বিরল বলেন, ‘বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন হলে আমরা আরও মজুত তেল বাজারে ছাড়তে প্রস্তুত আছি। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ শুরু হওয়াটা সবচেয়ে জরুরি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

বিশ্ব অর্থনীতি বড় হুমকির মুখে: আইইএ প্রধান

আপলোড সময় : ১১:৩৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

বর্তমান জ্বালানি সংকটকে ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকট এবং ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের চেয়েও ভয়াবহ বলে বর্ণনা করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফতিহ বিরল। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমানে এক বিশাল হুমকির মুখে দাঁড়িয়ে আছে।’খবর আল জাজিরার।

আজ সোমবার (২৩ মার্চ) ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছিলেন আইএইএ প্রধান।

ফতিহ বিরল বর্তমান পরিস্থিতিকে দুটি বড় তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ‘যদি এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকে, তবে বিশ্বের কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না। এই সংকট নিরসনে এখন বিশ্বব্যাপী সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।’ তিনি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

আইইএ প্রধান আরও জানান, চলমান মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ফলে এ অঞ্চলের অন্তত ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা ‘ভয়াবহভাবে’ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইইএ ইতিমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে তাদের জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে। এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে আইইএ সদস্য দেশগুলো বিশ্ববাজারে তেলের আকাশচুম্বী দাম নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

ফতিহ বিরল বলেন, ‘বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন হলে আমরা আরও মজুত তেল বাজারে ছাড়তে প্রস্তুত আছি। তবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়মিত সরবরাহ শুরু হওয়াটা সবচেয়ে জরুরি।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন