ফিফা বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখল আইভরি কোস্ট। গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে কুরাসাওকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) জায়গা করে নিয়েছে আফ্রিকান পরাশক্তিরা।
এর আগে ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪ সালে মোট তিনবার বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে খেলেছিল আইভরি কোস্ট। সে সময় দলে দিদিয়ের দ্রগবার মতো বিশ্বমানের তারকা ফুটবলার থাকা সত্ত্বেও প্রতিবারই গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে ব্যর্থ হয়েছিল 'দি এলিফ্যান্টস' খ্যাত দলটি। তবে এবার আর কোনো ভুল করেনি তারা। তিন ম্যাচ শেষে ২ জয় ও ১ হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে নিশ্চিত করেছে নকআউটের টিকিট।
ম্যাচটিতে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে আইভরি কোস্ট। দলের হয়ে আক্রমণভাগের ফুটবলাররা দুর্দান্ত পারফর্ম করেন। এই ম্যাচের হাত ধরেই বিশ্বকাপে একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে কম বয়সী আফ্রিকান অ্যাসিস্ট দাতা (গোল করানোর কারিগর) হিসেবে রেকর্ড বুকে নাম লিখিয়েছেন আইভরি কোস্টের রক্ষণভাগের উদীয়মান তারকা উসমান দিওমান্দে। এছাড়া দলের অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার নিকোলাস পেপেও এই ম্যাচে আফ্রিকার ফুটবল ইতিহাসের একটি দুর্দান্ত মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
গ্রুপ পর্বের বাধা টপকালেও নকআউটে আইভরি কোস্টের সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় পরীক্ষা। শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হতে হবে ‘ডি’ গ্রুপের সমীকরণ অনুযায়ী ফ্রান্স অথবা নরওয়ের। তবে প্রথম লক্ষ্য পূরণ হওয়ায় দলটির আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। আইভরি কোস্টের কোচ এমার্স ফায়ে আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, কেবল নকআউটে ওঠাই তাদের শেষ লক্ষ্য নয়; এই টুর্নামেন্টে আরও বড় চমক দেখাতে চান তারা।
অনলাইন ডেক্স 


















