স্পেনের ইতিহাসে সবচেয়ে সফলতম ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। অথচ সেই ক্লাবের একজনেরও জায়গা হলো না স্পেনের বিশ্বকাপ দলে। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ঠিকই আধিপত্য ধরে রেখেছে। বার্সার ৮ ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন স্পেনের বিশ্বকাপ দলে। চোটে থাকলেও প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন লামিনে ইয়ামাল।
সবশেষ ইউরোতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এবং নিয়মিত অধিনায়ক আলভারো মোরাতেকে বিশ্বকাপ দলে রাখেননি স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের। বাদ পড়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের সেন্টার ব্যাক ডিন হুইজেন। চোটের কারণে ছিটকে গেছেন রিয়ালের আরেক তারকা ফেরমিন লোপেজ।
বার্সেলোনার ৮ জন হলেন–লামিনে ইয়ামাল, পেদ্রি, গাভি, হোয়ান গার্সিয়া, পাও কুবারসি, এরিক গার্সিয়া, দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস। এদের মধ্যে ইয়ামাল চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে স্পেনের প্রথম ম্যাচটি মিস করতে পারেন।
বিশ্বকাপে স্পেন আছে ‘এইচ’ গ্রুপে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে, সৌদি আরব এবং উরুগুয়ে। আগামী ১৪ জুন কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: উনাই সিমন (অ্যাথলেতিক বিলবাও), দাভিদ রায়া (আর্সেনাল), হোয়ান গার্সিয়া (বার্সেলোনা)
ডিফেন্ডার: মার্ক কুকুরেয়া (চেলসি), আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো (বায়ার লেভারকুসেন), পাউ কুবারসি (বার্সেলোনা), আইমেরিক লাপোর্ত (অ্যাথলেতিক বিলবাও), মার্ক পুবিল (অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ), এরিক গার্সিয়া (বার্সেলোনা), মার্কোস ইয়োরেন্তে (অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ), পেদ্রো পোরো (টটেনহ্যাম হটস্পার)
মিডফিল্ডার: পেদ্রি (বার্সেলোনা), ফাবিয়ান রুইজ (পিএসজি), মার্তিন জুবিমেন্দি (আর্সেনাল), গাভি (বার্সেলোনা), রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি), অ্যালেক্স বায়েনা (অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ), মিকেল মেরিনো (আর্সেনাল)
ফরোয়ার্ড: মিকেল ওইয়ারজাবাল (রিয়াল সোসিয়েদাদ), দানি ওলমো (বার্সেলোনা), নিকো উইলিয়ামস (অ্যাথলেতিক বিলবাও), ইয়েরেমি পিনো (ক্রিস্টাল প্যালেস), ফেরান তরেস (বার্সেলোনা), বোরহা ইগলেসিয়াস (সেল্তা ভিগো), ভিক্তর মুনোজ (ওসাসুনা), লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা)।
অনলাইন ডেক্স 



















