ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তথাকথিত “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নামক প্রতিষ্ঠানের অপকর্মের বিষয়ে অবহিতকরণ

সাম্প্রতিক সময়ে “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নাম ব্যবহারকারী একটি সংগঠন ও এর সভাপতি চাঁদাবাজ ও পুলিশের মামলাভুক্ত সেলিম নিজামী গং কর্তৃক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিষয়টি জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। এ প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ হতে নিম্নোক্ত বক্তব্য প্রদান করা যাচ্ছে।
প্রথমত, তাদের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কর্মসূচিতে অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অনভিপ্রেত, অনৈতিক এবং আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নামীয় সংগঠনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত বা নিবন্ধিত নয় এবং অধিদপ্তরের কোনো সহযোগী বা সহায়ক প্রতিষ্ঠান নয়। তাদের বিভিন্ন প্রচারণামুলক কার্যক্রমের আর্থিক উৎস নিয়েও অস্বচ্ছতা রয়েছে। উক্ত সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন সূত্র মারফত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয়েছে যে, উক্ত সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ও ছবি ব্যানারে সংযুক্ত করে মানববন্ধন ও অপপ্রচারমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম বা ছবি অপসারণের জন্য তাদের নিকট অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালিয়ে থাকে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল তথা ব্ল্যাকমেইলের শামিল এবং যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তার কোনরূপ বেআইনি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অধিদপ্তর শূন্য সহিষ্ণুতা বজায় রাখে এবং অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সাম্প্রতিক বহু নজির আছে।
তৃতীয়ত, বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, উক্ত সংগঠনটি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিকট লাইসেন্স/অনুমোদন লাভের চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু উল্লিখিত তথাকথিত সংগঠনটির নেপথ্য ব্যক্তি সেলিম নিজামীর অতীত ও সাম্প্রতিক অপরাধমূলক কীর্তিকলাপের রেকর্ড থাকায় এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় অধিদপ্তর কর্তৃক তাদেরকে অনুমোদন প্রদান করা হয়নি। এছাড়া তারা বিভিন্ন সময়ে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানোর নাম করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে অর্থ সহায়তা চেয়ে ব্যর্থ হয়। এর ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, অনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অপচেষ্টা করছে মর্মে প্রতীয়মান হয়।
চতুর্থত, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও একাধিক সূত্র মারফত জানা যায় যে, উক্ত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কথিত সাংবাদিক জনাব সেলিম নিজামীর বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ২১ মার্চ ২০২৪ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত “তারা সাংবাদিক নন সাংঘাতিক” শীর্ষক প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জমির বিরোধ মীমাংসা করার জন্য তিনি এক ভুক্তভোগীর কাছে ডিবিপ্রধান ও ডেমরা থানার ওসিকে ম্যানেজ করার কথা বলে প্রতারণাপূর্বক পৌনে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে।
এছাড়াও ২০১৯ সালের ৩০ জুন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে মাসিক চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক কয়েকজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা নং-০২ দায়ের করা হয় এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জনাব সেলিম নিজামীও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
পঞ্চমত, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর লক্ষ্য করছে যে, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী “মাদকবিরোধী সংগঠন” বা “সাংবাদিক” পরিচয় ব্যবহার করে অধিদপ্তরের নাম, লোগো ও কর্মকর্তাদের পরিচয় ভাঙিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল, প্রভাব বিস্তার এবং অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নামে তারা বিভিন্ন মাদকবিরোধী প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করছে। জনগণকে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের প্রতারক চক্র সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুনরায় স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে, সরকার অনুমোদিত আইন, বিধি ও নীতিমালার আওতায় পরিচালিত কার্যক্রম ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে অধিদপ্তরের সহযোগী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। একইসাথে অধিদপ্তরের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, অপপ্রচার, বিরূপ কার্যক্রম, চাঁদাবাজি কিংবা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিশেষে, দেশের জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও সরকারি সূত্রের উপর নির্ভর করার জন্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে বন্দর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান; ওয়ারেন্টভুক্তসহ ১১ আসামি গ্রেফতার!

তথাকথিত “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নামক প্রতিষ্ঠানের অপকর্মের বিষয়ে অবহিতকরণ

আপলোড সময় : ১১:০৮:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

সাম্প্রতিক সময়ে “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নাম ব্যবহারকারী একটি সংগঠন ও এর সভাপতি চাঁদাবাজ ও পুলিশের মামলাভুক্ত সেলিম নিজামী গং কর্তৃক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় বিষয়টি জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। এ প্রেক্ষিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ হতে নিম্নোক্ত বক্তব্য প্রদান করা যাচ্ছে।
প্রথমত, তাদের বিভিন্ন প্রচারণামূলক কর্মসূচিতে অধিদপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম ও ছবি অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যবহার করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অনভিপ্রেত, অনৈতিক এবং আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। “স্বাধীন বাংলা মাদকবিরোধী কল্যাণ সোসাইটি” নামীয় সংগঠনটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত বা নিবন্ধিত নয় এবং অধিদপ্তরের কোনো সহযোগী বা সহায়ক প্রতিষ্ঠান নয়। তাদের বিভিন্ন প্রচারণামুলক কার্যক্রমের আর্থিক উৎস নিয়েও অস্বচ্ছতা রয়েছে। উক্ত সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা নেই।
দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন সূত্র মারফত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতীয়মান হয়েছে যে, উক্ত সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নাম ও ছবি ব্যানারে সংযুক্ত করে মানববন্ধন ও অপপ্রচারমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম বা ছবি অপসারণের জন্য তাদের নিকট অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা চালিয়ে থাকে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল তথা ব্ল্যাকমেইলের শামিল এবং যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। উল্লেখ্য, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তার কোনরূপ বেআইনি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অধিদপ্তর শূন্য সহিষ্ণুতা বজায় রাখে এবং অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সাম্প্রতিক বহু নজির আছে।
তৃতীয়ত, বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় যে, উক্ত সংগঠনটি দীর্ঘদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিকট লাইসেন্স/অনুমোদন লাভের চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু উল্লিখিত তথাকথিত সংগঠনটির নেপথ্য ব্যক্তি সেলিম নিজামীর অতীত ও সাম্প্রতিক অপরাধমূলক কীর্তিকলাপের রেকর্ড থাকায় এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় অধিদপ্তর কর্তৃক তাদেরকে অনুমোদন প্রদান করা হয়নি। এছাড়া তারা বিভিন্ন সময়ে মাদকবিরোধী প্রচারণা চালানোর নাম করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে অর্থ সহায়তা চেয়ে ব্যর্থ হয়। এর ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা, অনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর অপচেষ্টা করছে মর্মে প্রতীয়মান হয়।
চতুর্থত, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য ও একাধিক সূত্র মারফত জানা যায় যে, উক্ত সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কথিত সাংবাদিক জনাব সেলিম নিজামীর বিরুদ্ধে অতীতে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ২১ মার্চ ২০২৪ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় প্রকাশিত “তারা সাংবাদিক নন সাংঘাতিক” শীর্ষক প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জমির বিরোধ মীমাংসা করার জন্য তিনি এক ভুক্তভোগীর কাছে ডিবিপ্রধান ও ডেমরা থানার ওসিকে ম্যানেজ করার কথা বলে প্রতারণাপূর্বক পৌনে ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে।
এছাড়াও ২০১৯ সালের ৩০ জুন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে মাসিক চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক কয়েকজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা নং-০২ দায়ের করা হয় এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী আটক ব্যক্তিদের মধ্যে জনাব সেলিম নিজামীও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
পঞ্চমত, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর লক্ষ্য করছে যে, কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী “মাদকবিরোধী সংগঠন” বা “সাংবাদিক” পরিচয় ব্যবহার করে অধিদপ্তরের নাম, লোগো ও কর্মকর্তাদের পরিচয় ভাঙিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল, প্রভাব বিস্তার এবং অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নামে তারা বিভিন্ন মাদকবিরোধী প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজি করছে। জনগণকে ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের প্রতারক চক্র সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পুনরায় স্পষ্টভাবে জানাতে চায় যে, সরকার অনুমোদিত আইন, বিধি ও নীতিমালার আওতায় পরিচালিত কার্যক্রম ব্যতীত কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে অধিদপ্তরের সহযোগী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয় না। একইসাথে অধিদপ্তরের নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, অপপ্রচার, বিরূপ কার্যক্রম, চাঁদাবাজি কিংবা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিশেষে, দেশের জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র অধিদপ্তরের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ও সরকারি সূত্রের উপর নির্ভর করার জন্য।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন