ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:৩০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • ২১৫ Time View

মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি দেওয়ার কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে সম্মানি তুলে দিয়ে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্মানি প্রদান কর্মসূচির আওতায় মসজিদের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা। মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার ক্ষেত্রে আট হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকবে। মসজিদের ইমামরা ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা, খাদেম ২ হাজার টাকা পাবেন।

মন্দিরের ক্ষেত্রে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা ও সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। বৌদ্ধ মন্দিরে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা ও বিহার উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং গির্জার ক্ষেত্রে যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা করে পাবেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। 

প্রথম পর্যায়ে ঈদের আগে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, সারাদেশে ৭২টি উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার ও ১৯৮টি উপজেলায় গির্জা অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৩৯৬টি গির্জা সম্মানী দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপলোড সময় : ১২:৩০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য সম্মানি দেওয়ার কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের হাতে সম্মানি তুলে দিয়ে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

সম্মানি প্রদান কর্মসূচির আওতায় মসজিদের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা। মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার ক্ষেত্রে আট হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকবে। মসজিদের ইমামরা ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা, খাদেম ২ হাজার টাকা পাবেন।

মন্দিরের ক্ষেত্রে পুরোহিত ৫ হাজার টাকা ও সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। বৌদ্ধ মন্দিরে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা ও বিহার উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং গির্জার ক্ষেত্রে যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক তিন হাজার টাকা করে পাবেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। 

প্রথম পর্যায়ে ঈদের আগে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা থেকে একটি করে মোট ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৯৯০টি মন্দির, সারাদেশে ৭২টি উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহার ও ১৯৮টি উপজেলায় গির্জা অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা থেকে ২টি করে মোট ৩৯৬টি গির্জা সম্মানী দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন