সারাদেশে মার্চ মাসজুড়ে পরিচালিত অভিযানে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৮ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ০৩ মার্চ থেকে ০১ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৪৮২৪টি অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, পেট্রল, অকটেন ও ডিজেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই। বর্তমানে সরকারের কাছে ১ লাখ ২২ হাজার ৬৬০ মেট্রিক টন সরবরাহযোগ্য ডিজেল মজুদ আছে। তবে প্যানিক বায়িং ও অস্বাভাবিক মজুতের প্রবণতা পরিস্থিতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
তিনি বলেন, কৃষকদের সেচ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং প্রতিদিন ৬৪ জেলার সঙ্গে সমন্বয় সভা করা হচ্ছে। কোনো এলাকায় জ্বালানি পেতে সমস্যা হলে স্থানীয় প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মজুতের প্রবণতা কমলে জ্বালানির কোনো ঘাটতি থাকবে না। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।
ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, নির্দিষ্ট কিছু যানবাহনের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ চালু করা হবে। এর আগে জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং রাষ্ট্রীয় বিপণন প্রতিষ্ঠান পদ্মা, মেঘনা ও যমুনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে সরবরাহ ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেন জ্বালানিমন্ত্রী। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল মনিটরিং ড্যাশবোর্ড চালুসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
অনলাইন ডেক্স 



















