ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্কুল পর্যায়ে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার কথা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ১২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ২২৪ Time View

ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিগগিরই সারা দেশের স্কুলগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনেও ক্লাসের ব্যাপারে করছে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের  এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে। 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখন থেকে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস খোলা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। আর দেশের মেট্রোপলিটন এলাকায় অনলাইন ক্লাসের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুনে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুল পর্যায়ে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার কথা চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

আপলোড সময় : ১২:০২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

ইরানে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে শিগগিরই সারা দেশের স্কুলগুলোতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনেও ক্লাসের ব্যাপারে করছে চিন্তাভাবনা করছে সরকার।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের  এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হবে। 

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখন থেকে সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস খোলা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। আর দেশের মেট্রোপলিটন এলাকায় অনলাইন ক্লাসের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রতা, বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুনে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন