ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমি বিচার চাই, আমার একটা কলিজা হারিয়ে ফেলেছি

  • অনলাইন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০১:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২৭১ Time View

পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে মৃত্যু হয় দুই বছরের শিশু সাজিদের। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তানোরের বাড়িতে নিয়ে আসা হয় সাজিদের মরদেহ।

সাজিদের বাড়ি তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে। নিহত সাজিদকে গভীর নলকূপের ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

সাজিদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হলে কথা হয় তার বাবা রাকিব উদ্দীনের সঙ্গে। এসময় তিনি বলেন, আমি বিচার চাই। প্রশাসনিকভাবে যে বিচার করবে, আমি তাতেই সন্তুষ্ট। সঠিক যেটা, সেটা আমাকে দেবে। আমি ফুটফুটে একটা সন্তান হারিয়েছি। আমার একটা কলিজা হারিয়ে ফেলেছি। আমার কিছু করণীয় নাই। এখন শুধু দোয়া করা লাগবে। যেহেতু আল্লাহই দিয়েছেন, আল্লাহই নিয়ে গেছেন। কিন্তু অবহেলা (গর্ত বন্ধ না করায়) হয়েছে, এটা একমাত্র অবহেলা। এ ছাড়া আর কিছু না।

তিনি বলেন, যারা হাউজিং (গর্ত) করেছে, এটা তাদেরই কাজ। তারা না করলে সমস্যা হবে কেন? পাইপের মুখে তারা অন্য কিছু দিত, একটা বস্তু দিত বা পাইপের মুখ বেঁধে রাখত বা তারা যদি একটা নিশানা দিত। তারা কিচ্ছু দেয়নি। এ ঘটনায় আমি বিচার চাই। প্রশাসনিকভাবে যে বিচার করবে আমি তাতেই সন্তুষ্ট।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সাজিদের বাড়ির পাশের মাঠে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন
Tag :

আমি বিচার চাই, আমার একটা কলিজা হারিয়ে ফেলেছি

আপলোড সময় : ০১:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

পরিত্যক্ত গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে মৃত্যু হয় দুই বছরের শিশু সাজিদের। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে তানোরের বাড়িতে নিয়ে আসা হয় সাজিদের মরদেহ।

সাজিদের বাড়ি তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে। নিহত সাজিদকে গভীর নলকূপের ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

সাজিদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হলে কথা হয় তার বাবা রাকিব উদ্দীনের সঙ্গে। এসময় তিনি বলেন, আমি বিচার চাই। প্রশাসনিকভাবে যে বিচার করবে, আমি তাতেই সন্তুষ্ট। সঠিক যেটা, সেটা আমাকে দেবে। আমি ফুটফুটে একটা সন্তান হারিয়েছি। আমার একটা কলিজা হারিয়ে ফেলেছি। আমার কিছু করণীয় নাই। এখন শুধু দোয়া করা লাগবে। যেহেতু আল্লাহই দিয়েছেন, আল্লাহই নিয়ে গেছেন। কিন্তু অবহেলা (গর্ত বন্ধ না করায়) হয়েছে, এটা একমাত্র অবহেলা। এ ছাড়া আর কিছু না।

তিনি বলেন, যারা হাউজিং (গর্ত) করেছে, এটা তাদেরই কাজ। তারা না করলে সমস্যা হবে কেন? পাইপের মুখে তারা অন্য কিছু দিত, একটা বস্তু দিত বা পাইপের মুখ বেঁধে রাখত বা তারা যদি একটা নিশানা দিত। তারা কিচ্ছু দেয়নি। এ ঘটনায় আমি বিচার চাই। প্রশাসনিকভাবে যে বিচার করবে আমি তাতেই সন্তুষ্ট।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সাজিদের বাড়ির পাশের মাঠে। এরপর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে সাজিদ গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ৪০ ফুট মাটি খনন করে ৩২ ঘণ্টা পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। এরপর তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন